বাগেরহাটে এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত পাঁচ শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে ছাত্রশিবির। একইসাথে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন ও কর্মজীবন নিয়েও ক্যারিয়ার গাইডলাইন দেয়া হয়।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বাগেরহাট জেলা শাখার উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ইসলামী ছাত্রশিবির বাগেরহাট জেলা শাখার সভাপতি আহমেদ আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ ও বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান খান।
এ সময় বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল শুধু তাদের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দেশের জন্যও গর্বের বিষয়। ভবিষ্যতে আরো ভালো ফলাফল ও সফলতা অর্জনের জন্য শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, সততা, নৈতিকতা ও সময়ের সঠিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিজেদের দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকশিত করতে হবে।
দেশ ও সমাজের কল্যাণে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য তারা শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জেলার নয়টি উপজেলার এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও বিভিন্ন উপহার তুলে দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ক্যারিয়ার গাইডলাইন পর্বে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, ক্যারিয়ার নির্বাচন ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবন নিয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেয়া হয়। পাশাপাশি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে পরিকল্পনা, দক্ষতা উন্নয়ন ও সময়ের সঠিক ব্যবহারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাগেরহাট জেলা শাখার নায়েবে আমির ও সাবেক শিবির নেতা অ্যাডভোকেট শেখ আব্দুল ওয়াদুদ, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক ইউসুফ ইসলামী, জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাঈদ শুনুসহ বাগেরহাট জেলা জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা।



