চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএনপি-যুবদলের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় মো: সজিব (২৭) নামে এক যুবদলকর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো চারজন।
বুধবার (১১ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে মুরাদপুর গোপ্তাখালী মার্কেট এলাকার একটি টমেটোক্ষেত থেকে নিহত সজিবের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা জানান, নিহত সজিবের বাড়ি মিরসরাইয়ের আবু তোরাব এলাকায়। এখানে তার নানার বাড়ি। তিনি ছোটকাল থেকেই নানার বাড়িতে থাকতেন। তিনি যুবদল নেতা সাহাবউদ্দিনের দেহরক্ষি হিসেবে ছিলেন। নিহত সজিব এক কন্যাসন্তানের জনক বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৪ নম্বর মুরাদ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থী বিএনপি নেতা আলীম ও ইউনিয়ন যুবদলেরর সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাব উদ্দিনের সাথে মেম্বার প্রার্থিতা ও এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে মতবিরোধ চলে আসছিল। এর মধ্যে সম্প্রতি মুরাদপুর বাজারে এক রিকশাচালকের একটি ব্যাটারি চুরি হয়। চোর ধরা পড়লে এ নিয়ে মুরাদপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে একটি সালিশি বৈঠক হয়। বৈঠকে ২০ হাজার টাকা পরিশোধের জিম্মা নেন বিএনপি নেতা আলীম। তখন টাকা জিম্মা নেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’ গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত ও একজন নিখোঁজ হন।
যুবদল নেতা সাহাব উদ্দিন বলেন, ‘বিএনপি নেতা আলিম তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলা করে যুবদলকর্মী সজিবকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে পালিয়ে যায়।’
সীতাকুণ্ড মডেল থানার সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) মো: বেলাল বলেন, ‘আমরা ঘটনার খবর জানতে পেরে পুলিশের একটি টিম নিয়ে বুধবার ভোর রাতে ওই এলাকায় যাই এবং নিখোঁজ সজিবকে এলাকার একটি টমেটোক্ষেত থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করি। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে।’



