টাঙ্গাইলে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রোববার দুপুরে টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা এ দণ্ডাদেশ দেন।

মালেক আদনান, টাঙ্গাইল

Location :

Tangail
টাঙ্গাইলের ম্যাপ
টাঙ্গাইলের ম্যাপ |ফাইল ছবি

টাঙ্গাইলে শাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাতাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন জামালপুর সদরের তেলিয়ানপাড়া গ্রামের নূরুল ইসলাম দুদুর ছেলে রেজাউল করিম দুলু।

টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো: শাহজাহান কবীর জানান, টাঙ্গাইলের মধুপুর থানার বুরাকুড়ি গ্রামের নুর হাইয়ের স্ত্রী রাবেয়া বেগম ছিলেন আসামি রেজাউল করিম দুলুর শাশুড়ি। কিন্তু সাংসারিক জীবনে বনিবনা না হওয়ায় রাবেয়া বেগমের মেয়ে নুরুন্নাহার ২০০৬ সালের শুরুতে তার স্বামী রেজাউলকে তালাক দেন। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে রেজাউল তার লোকজন নিয়ে ২০০৬ সালের ২৭ জুন রাতে মধুপুরের বুরাকুড়ি গ্রামে রাবেয়া বেগমের বাড়িতে গিয়ে নুরুন্নাহারের ওপর হামলা চালান। তখন রাবেয়া বেগম এগিয়ে এলে রেজাউল তাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাবেয়াকে মধুপুর কালিয়াকুড়ি হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন রাবেয়ার স্বামী নূর হাই মধুপুর থানায় রেজাউলসহ ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেন।

তিনি আরো জানান, ২০০৭ সালের ২৩ জানুয়ারি সব আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। দীর্ঘ ২০ বছর পর রোববার এ মামলায় রায় দেয় আদালত। আসামি রেজাউলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন। মামলার অপর পাঁচ আসামি ছামাদ মণ্ডল, তোতামিয়া, মিলন মিয়া, আজিজুল ও আবুল কালাম বেকসুর খালাস পান।