মুক্তিপণের বিনিময়ে আট দিন পর ছাড়া পেলেন ৩ জেলে

১৭ জানুয়ারি ওই শুঁটকি পল্লী থেকে তাদের অপহরণ করা হয়। আট দিন জলদস্যুরা তাদের আটকে রাখে। পরে মালিক নুরুল ইসলামের সাথে জলদস্যুরা সমঝোতার মাধ্যমে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। তবে কত টাকার বিনিময়ে তাদের ছাড়া হয় তা জানাতে পারেননি জেলেরা।

পাথরঘাটা (বরগুনা) সংবাদদাতা

Location :

Patharghata
মুক্তিপণের বিনিময়ে ছাড়া পাওয়া তিন জেলে
মুক্তিপণের বিনিময়ে ছাড়া পাওয়া তিন জেলে |নয়া দিগন্ত

বরগুনার পাথরঘাটা থেকে ৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে সুন্দরবনের শেলা এলাকা থেকে অপহৃত তিন জেলেকে আট দিন পর মুক্তিপণের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে বলেশ্বর নদী সংলগ্ন পাথরঘাটা উপজেলার পদ্মা স্লুইস বাজারে তাদের নামিয়ে দেন অন্য ট্রলারের জেলেরা।

মুক্তি পাওয়া তিন জেলে হলেন— বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার তালবুনিয়া গ্রামের মোসলেম আলী মোল্লার ছেলে মো: কচি মোল্লা (৪৫), সেরেপতলা গ্রামের আজিত মৃধার ছেলে খিরোদ মৃধা (২৮) ও গাববুনিয়া গ্রামের কাওছার শেখের ছেলে আব্দুস সালাম শেখ।

ফিরে আসা জেলেরা জানান, প্রতি বছরের মতো এবছরও শুঁটকির মৌসুমে সুন্দরবনের শেলা এলাকায় নুরুল ইসলামের মালিকানাধীন নামবিহীন একটি ট্রলারে মাছ শিকারের জন্য পাঁচ মাসের চুক্তিতে কাজে যান তারা। গত ১৭ জানুয়ারি ওই শুঁটকি পল্লী থেকে তাদের অপহরণ করা হয়। আট দিন জলদস্যুরা তাদের আটকে রাখে। পরে মালিক নুরুল ইসলামের সাথে জলদস্যুরা সমঝোতার মাধ্যমে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। তবে কত টাকার বিনিময়ে তাদের ছাড়া হয় তা জানাতে পারেননি জেলেরা।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ‘জেলেরা প্রথমে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) সাথে দেখা করতে গেলে তাকে পায়নি। পরে আমরা তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি।’