সোনাগাজীতে ইউনিয়ন পরিষদের কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতার হাড্ডি ভেঙে দেয়ার অভিযোগ

ফেনীর সোনাগাজীতে ইউনিয়ন পরিষদের খাদ্য বান্ধব কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইমরান চৌধুরীর ডান হাতের হাড্ডি ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ রাকিবের বিরুদ্ধে।

সোনাগাজী (ফেনী) সংবাদদাতা

Location :

Sonagazi
সোনাগাজীতে ইউনিয়ন পরিষদের কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতার হাড্ডি ভেঙে দেয়ার অভিযোগ
সোনাগাজীতে ইউনিয়ন পরিষদের কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতার হাড্ডি ভেঙে দেয়ার অভিযোগ |নয়া দিগন্ত

ফেনীর সোনাগাজীতে ইউনিয়ন পরিষদের খাদ্য বান্ধব কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইমরান চৌধুরীর ডান হাতের হাড্ডি ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ রাকিবের বিরুদ্ধে।

সোমবার দুপুরে সোনাগাজীর মতিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে বাক-বিতণ্ডার এক পর্যায়ে সড়কে গিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এমরান চৌধুরী ও ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সদস্য সচিব এবং গ্রাম পুলিশ রাকিবের মধ্যে মারামারির এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয়েই রক্তাক্ত জখম হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মতিগঞ্জ ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের জন্য ৮৮টি কার্ড বরাদ্দ হয়। ওই কার্ডগুলো তালিকা প্রস্তুতের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নার্গিস আক্তার স্থানীয় বিএনপি নেতাদের কাছে প্রেরণ করেন। বিতরণ তালিকায় গ্রাম পুলিশ রাকিব দুই জন হতদরিদ্র নামের তালিকাভুক্ত করেন।

মতিগঞ্জ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এমরান চৌধুরী এ বিষয়ে গ্রাম পুলিশ রাকিবের কাছে কৈফিয়ত চাইলে দুই জনের মধ্যে তুমুল মারামারিতে গ্রাম পুলিশের হাতে এবং এমরান চৌধুরীর মাথায় রক্তাক্ত জখম হয়। শ্রমিক দল নেতা রাকিব সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম পুলিশের চাকরি পেয়েছেন। সে ইউনিয়নের ভাদাদিয়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বে রয়েছেন।

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইমরান চৌধুরী বলেন, ‘গ্রাম পুলিশ রাকিব অন্যায়ভাবে আমার ওপর হামলা করে আমার ডান হাতের হাড্ডি ভেঙ্গে দিয়েছে। আমি প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে এখন বাড়িতে আছি।’

মতিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক নার্গিস আক্তার বলেন, ‘শুনেছি দুইজনের মধ্যে মারামারি হয়েছে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিগ্যান চাকমা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।