জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেছেন,মানুষ প্রত্যাশা করছিল এবার দাঁড়িপাল্লার জোয়ার কেউ ঠেকাতে পারবেনা। কিন্তু তা হয়নি। সকল বাতিল শক্তি একত্রিত হয়ে প্রতিবেশী বিদেশীদের সহায়তা নিয়ে দাঁড়িপাল্লাকে মেইন স্ট্রিমে আসতে দেয়নি। মেইনস্ট্রিমে আসতে না দেয়ার কথা ইতোমধ্যেই স্বীকার করে জাতির সামনে প্রকাশ করেছেন একজন উপদেষ্টা।
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সেক্রেটারি কথায় কথায় সংবিধানের দোহাই দিয়ে বলতেন "আমরা সংবিধানের বাইরে এক চুলও নড়বো না। তাদের মতোই আপনারাও সংবিধানের দোহাই দিয়ে জুলাইকে অবজ্ঞা করে কথাবার্তা বলছেন। জুলাইকে পাশ কাটিয়ে আপনারা অতীতকে ভুলে যাচ্ছেন। জনগণ তা মানবে না। তাই টালবাহানা না করে অতিসত্তর গণপরিষদের শপথ গ্রহণ করে জুলাই সনদকে স্বীকৃতি দিয়ে জনরোষ থেকে বাঁচার চেষ্টা করেন।
তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র করে ইসলামের বিজয় ঠেকানো যাবে না ইনশাল্লাহ। যতদিন পর্যন্ত এদেশে ইসলামের বিজয় না হবে ততদিন আমরা লড়ে যাবো ইনশাল্লাহ। ইসলামের বিজয় না হওয়া পর্যন্ত নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
রোববার (২২ মার্চ) সকাল ১০টায় সিরাজগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা জামায়াত আয়োজিত সিরাজগঞ্জ জেলার বাইরে অবস্থানরত সকল রুকন,বর্তমান ও সাবেক সদস্য, সাথী,কর্মী ও দায়িত্বশীলদের নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা শাহিনুর আলমের সভাপতিত্বে ও জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য প্রফসর ড.শায়েখ আব্দুস সামাদ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড.হেলাল উদ্দিন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদ উদ্দীন।
এছাড়া জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ও বেলকুচি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলী আলম, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম,পৌরসভা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল লতিফ, ইসলামী ছাত্রশিবির সিরাজগঞ্জ শহর শাখার সভাপতি হাবিবুর রহমান ও জেলা সভাপতি আব্দুল আজিজসহ জেলার নয়টি উপজেলা জামায়াতের আমিররা বক্তব্য রাখেন।



