বরগুনা-২ আসনে বিএনপি-জামায়াত একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার

দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই অঞ্চলের উন্নয়নে রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করা সময়ের দাবি। দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর এমন ইতিবাচক মনোভাব এলাকাবাসীর মধ্যে আশাবাদ তৈরি করেছে।

বেতাগী (বরগুনা) সংবাদদাতা

Location :

Barguna
একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার
একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার |নয়া দিগন্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-২ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামী ডা: সুলতান আহমদ সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি জামায়াত প্রার্থী ডা: সুলতান আহমদের সাথে একসাথে মিলেমিশে এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোটে ১২২টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম মনি পেয়েছেন ৯০,৬৪৩ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা: সুলতান আহমদ পেয়েছেন ৮৫,২৪৭ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী পাঁচ হাজার ৩৯৬ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই অঞ্চলের উন্নয়নে রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করা সময়ের দাবি। দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর এমন ইতিবাচক মনোভাব এলাকাবাসীর মধ্যে আশাবাদ তৈরি করেছে।

এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। সব মিলিয়ে বরগুনা-২ আসনে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন শেষে উন্নয়নকে ঘিরে নতুন প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে।

এ সময় বিজয়ী প্রার্থী নূরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘এটি শুধু আমার ব্যক্তিগত জয় নয়, বরং বরগুনা-২ আসনের সাধারণ মানুষের জয়। আমি দল-মত নির্বিশেষে সকলকে সাথে নিয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই। বিশেষ করে জামায়াতের প্রার্থী সুলতান আহমদ আমার বড় ভাই।’

অপরদিকে পরাজিত প্রার্থী সুলতান আহমদ ফলাফল মেনে নিয়ে সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘জনগণের রায়ই চূড়ান্ত। আমি জনগণের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাই। এলাকার স্বার্থে যে কোনো উন্নয়নমূলক কাজে আমি বরগুনা-২ আসনের সার্বিক উন্নয়ন, নদীভাঙন রোধ, কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়ন এবং তরুণদের কর্মসংস্থান বিষয়ে একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার বদ্ধ।’