নারায়ণগঞ্জে চাঁদা না দেয়ায় আব্দুল মতিন মুন্সী (৫৫) নামে এক বিএনপি নেতাকে মারধর করে হাত-পা ভেঙে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বিকেলে ভুক্তভোগীর মেয়ে মহিতুন নেছা ১০ জনের নাম উল্লেখ করে সোনারগাঁ থানায় একটি অভিযোগ দেন।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা বলছেন, ওই বিএনপি নেতাকে বলাৎকারের দায়ে এলাকাবাসী গণধোলাই দিয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক, তার সহযোগী মো: শহিদ (২৭), মো: বাবু (২৭), রিমন (২৬), সোহাগ (২২), শাহাদাৎ হোসেন (৩০), মাসুদ (২৪), ফয়জল হক (৩০), মহিন (২৮) ও সাব্বির (২৪)।
ভুক্তভোগী আব্দুল মতিন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মতিন মুন্সী উপজেলার চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় ‘হৈচৈ পার্ক’ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন। কয়েকদিন আগে আব্দুল মতিনের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ফারুক।
ভুক্তভোগী দু’লাখ টাকা চাঁদা দিলেও তাকে পুরো ১০ লাখ টাকা দেয়ার জন্য নানাভাবে হুমকি দিতে থাকেন। সবশেষ ২৮ মে সন্ধ্যায় চরকিশোরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় আব্দুল মতিনের কাছে পুনরায় চাঁদা দাবি করলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। এ সময় ফারুকসহ তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত ও হাত-পায়ের হাড় ভেঙে দেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো: ফারুকের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আব্দুল মতিন একটি ১০ থেকে ১১ বছর বয়সী ছেলেকে বলাৎকার করার চেষ্টা করেছেন। তাকে হাতেনাতে ধরে এলাকাবাসী মারধর করেছে। তিনি এর আগেও বেশ কয়েকবার এলাকায় এমন কাজ করেছেন। আমার বিরুদ্ধে অযথা অভিযোগ দেয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে আপনারা এলাকায় এসে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজুর রহমান বলেন, ‘মারধরের বিষয়ে তদন্ত করে আইনিব্যবস্থা নেয়া হবে।



