ঢাকার ধামরাইয়ে চিকিৎসক উপস্থিত না থাকায় সূয়াপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে এলাকার সাধারণ মানুষজন। এছাড়া কেন্দ্রে ভিজিটর ও অফিস সহায়ক ছাড়া আর কোনো কর্মকর্তা নেই বলে জানা গেছে।
জানা যায়, উপজেলার সূয়াপুর ইউনিয়নে সূয়াপুর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি সরকারিভাবে ১৯৯৫ সালে স্থাপন করা হয়। স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিতে একজন মেডিক্যাল অফিসার, একজন উপ-সহকারী মেডিক্যাল অফিসার, একজন ফার্মাসিস্ট, একজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শকা (ভিজিটর), একজন আয়া ও একজন অফিস সহায়ক থাকার কথা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সূয়াপুর ইউনিয়নের কুটিরচর গ্রামের ৬০ বছর বয়সী আব্দুল আলী ও তার স্ত্রীকে নিয়ে সেবা নিতে আসেন। ওই সময় অফিস সহায়ক ছাড়া কাউকে না পেয়ে তারা ফিরে যেতে বাধ্য হন। এ রকম আরো অনেককেই স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ না পেয়ে ফিরে যেতে দেখা যায়।
অনুসন্ধানে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক কর্মস্থলে অনুপস্থিত, অবসরে ফার্মাসিস্ট এবং এক সপ্তাহ আগে উপ-সহকারী মেডিক্যাল অফিসার অন্যত্র বদলি হয়ে যান। এসব কারণে বর্তমানে ওই কেন্দ্রে স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার মতো কোনো চিকিৎসক নেই।
স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সরকার শুধু শুধুই টাকা খরচ করে ভবন তৈরি করেছে। এখানে কাঙ্ক্ষিত কোনো স্বাস্থ্যসেবা আগেও পাওয়া যায়নি, বর্তমানে তো ডাক্তারই নেই। কর্তৃপক্ষের সঠিক তদারকি না থাকায় এ অবস্থা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবে আগেও এখানে কর্মকর্তারা দায়সারাভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নানা অজুহাত দেখিয়ে ঠিকমতো সেবা দেয়নি।’
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাক্তার মঞ্জুর আল মুর্শেদ চৌধুরীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।



