কুমিল্লা-১ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত ৭ প্রার্থীর

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জায়েদ আল মাহমুদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী ওমর ফারুক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বশির আহমেদ, বাংলাদেশ জাসদের বড়ুয়া মনোজীত ধীমন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোহাম্মদ আবুল কালাম, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির শফিউল বাসার এবং জাতীয় পার্টির সৈয়দ ইফতেখার হাসান।

Location :

Cumilla
কুমিল্লার ম্যাপ
কুমিল্লার ম্যাপ |ফাইল ছবি

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) সংবাদদাতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে নয়জন প্রার্থী ছিলেন। তবে ভোটের ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মূল লড়াই সীমাবদ্ধ ছিল দুই প্রার্থীর মধ্যে। বাকি সাতজন ন্যূনতম ভোটের সীমা অতিক্রম করতে না পারায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জায়েদ আল মাহমুদ (কলস) পেয়েছেন ২০১ ভোট, স্বতন্ত্র ওমর ফারুক (ঘোড়া) ২০৩ ভোট পেয়েছেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বশির আহমেদ (হাতপাখা) পেয়েছেন ছয় হাজার ৩৮৯ ভোট, বাংলাদেশ জাসদের বড়ুয়া মনোজীত ধীমন (মোটরগাড়ি) পেয়েছেন ১৪৪ ভোট, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোহাম্মদ আবুল কালাম (হাতি) পেয়েছেন ৪০৩ ভোট, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির শফিউল বাসার (ঈগল) পেয়েছেন ৫১১ ভোট এবং জাতীয় পার্টির সৈয়দ ইফতেখার হাসান (লাঙ্গল) ৬১৯ ভোট পেয়েছেন।

দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলার ফল মিলিয়ে বিএনপির প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এক লাখ ৪০ হাজার ৩০১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মনিরুজ্জামান বাহলুল পেয়েছেন ৯৪ হাজার ৮৭৫ ভোট। দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজার ৫৬৫।

এ আসনে মোট বৈধ পোস্টাল ভোট পড়েছে পাঁচ হাজার ৭২৪টি। এরমধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের প্রতীক ধানের শীষ পেয়েছে এক হাজার ১৩৫ ভোট। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মনিরুজ্জামান বাহলুলের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় পড়েছে চার হাজার ৩৪৬ ভোট। আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী বশির আহমেদের প্রতীক হাতপাখা পেয়েছে ১১৩ ভোট।

এ বিষয়ে মেঘনা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো: রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী আইন অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ, অর্থাৎ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এই আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের হিসেবে ন্যূনতম ২৯ হাজার ৯০৮ ভোট না পেলে জামানত রক্ষা করা সম্ভব নয়। ফলাফলে স্পষ্ট হয়েছে, এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কার্যত দ্বিমুখী ছিল। অন্য প্রার্থীরা নির্বাচনী লড়াইয়ে উল্লেখযোগ্য প্রভাব রাখতে পারেননি।’