চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানকালে এক আসামি পালিয়ে যায়। উদ্ধার করা মাদকের মধ্যে রয়েছে ৭৫৫ গ্রাম গাঁজা, পাঁচ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও দুই অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশন। গ্রেফতারদের তিন জনকে বিভিন্ন মেয়াদি সাজা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর ও সদর থানা এলাকায় এসব পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপপরিদর্শক এস এম শাহিন আলম পারভেজের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল জীবননগর থানাধীন সীমান্ত ইউনিয়নের গয়েশপুর মাঠপাড়া গ্রামে অভিযান চালায়। সেখানে আসামি মো: সরোয়ার হোসেন (চাড়ু) ও তার স্ত্রী মোছ: শুকিরন খাতুনের বসতঘরের শয়নকক্ষে তল্লাশি চালিয়ে শপিং ব্যাগে মোড়ানো ৭৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাটি টের পেয়ে সরোয়ার হোসেন চাড়ু (৫৫) পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও তার স্ত্রী মোছা: শুকিরন খাতুনকে (৪৫) গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় উপপরিদর্শক এস এম শাহিন আলম পারভেজ জীবননগর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।
অন্যদিকে, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার বিভিন্ন এলাকায় জেলা প্রশাসনের সহায়তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আসিস মোমতাজ অভিযান পরিচালনা করে তিন মাদক কারবারিকে আটক ও সাজা প্রদান করেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন মিয়ারবেলগাছি এলাকার মো: সাহাবুল হক (৪০), যাকে পাঁচ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ আটক করে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়।
ইসলামপাড়ার মোঃ শাকিল হাসানকে (২৮) পাঁচ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়।
এছাড়া বড় মসজিদ পাড়ার বনিকে (৩৩) ২ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ আটক করে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক রফিকুল ইসলাম জানান, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।



