গাইবান্ধার পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চারটি ও বিএনপি একটি আসনে জয়লাভ করেছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা প্রাথমিকভাবে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ১২৩টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল গণনা শেষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাজেদুর রহমান এক লাখ ৪০ হাজার ৭২৬টি ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট পেয়েছেন।
গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে মোট ১১৮টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল গণনা শেষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল করিম এক লাখ ২২ হাজার ৬৩০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আনিসুজ্জামান খান বাবু ৯২ হাজার ৮৯০ ভোট পেয়েছেন।
গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আবুল কায়সার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৬২ হাজার ৪৫৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা: মইনুল হাসান সাদিক এক লাখ ৩৯ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়েছেন।
গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শামীম কায়সার লিংকন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি এক লাখ ৪২ হাজার ৭১২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা: আব্দুর রহিম সরকার পেয়েছেন এক লাখ ৩৯ হাজার ৭৩৮ ভোট।
গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো: আব্দুল ওয়ারেছ। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ২২ হাজার ৬৩০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ফারুক আলম সরকার ৯২ হাজার ৮৯০ ভোট পেয়েছেন।



