৬টি মোটরসাইকেল জব্দ

কুমিল্লায় ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার ৯

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারত থেকে চোরাইপথে এবং সরকারি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মোটরসাইকেলগুলো বাংলাদেশে আনা হয়েছে। এগুলো কুমিল্লা, ফেনী, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নেয়া হচ্ছিল।

কুমিল্লা প্রতিনিধি

Location :

Cumilla

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ছয়টি অবৈধ ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের নয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

শনিবার (২২ আগস্ট) গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে, শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার ময়নামতি এলাকার কাটা জঙ্গল বিদ্যুৎ অফিসের সামনে সিলেট-কুমিল্লা মহাসড়ক থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার কচুয়ারপাড় গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে কামিম আহম্মদ (২৮), কোতোয়ালি থানার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের শাহী ইদগা এলাকার মনির মিয়ার ছেলে করিম (৩০), সুনামগঞ্জ সদর থানার পুরাতন গদিগাঁও গ্রামের শাহ আলমের ছেলে সাইদুল ইসলাম (২২), সিলেটের জালালাবাদ থানার নলকট গ্রামের তরিক মিয়ার ছেলে পাবেল আহম্মদ (২৬), একই থানার নীলগাঁও গ্রামের খালেকের ছেলে হোসাইন (২৩), সুনামগঞ্জের দিরাই থানার দিরাই চান্দপুর গ্রামের হেমেন্দ্র চন্দ্র দাসের ছেলে রিপন চন্দ্র দাস (২৯), সিলেটের কোতোয়ালি থানার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের চারা দিঘিরপাড় এলাকার সালাউদ্দিনের ছেলে রাজু আহম্মদ (২৮), সুনামগঞ্জের ছাতক থানার তাতিকোনা গ্রামের সাহেদ আলীর ছেলে আবিদুল ইসলাম (২৮) ও সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার সালুটিঘর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে কাওছার হোসেন (২৬)।

জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামছুল আলম শাহ জানান, ময়নামতি এলাকার কাটা জঙ্গল এলাকায় সিলেট-কুমিল্লা মহাসড়কে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করছিলেন ওই নয়জন। রাত আড়াইটার দিকে তারা ছয়টি মোটরসাইকেলে করে সেখানে পৌঁছান। এ সময় ডিবি পুলিশ তাদের থামার সংকেত দিলে পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে ওই নয়জনকে আটক করা হয়।

তিনি জানান, আটকের পর মোটরসাইকেলগুলোর বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা হয়। তবে আটক ব্যক্তিরা কোনো বৈধ রেজিস্ট্রেশন বা মালিকানাসংক্রান্ত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারত থেকে চোরাইপথে এবং সরকারি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মোটরসাইকেলগুলো বাংলাদেশে আনা হয়েছে। এগুলো কুমিল্লা, ফেনী, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নেয়া হচ্ছিল।

এ ঘটনায় শনিবার গ্রেফতার নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। পরে আদালতে উপস্থাপন করা হলে বিচারক তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।