চুয়াডাঙ্গা-১ ও ২ আসনে জামানত হারালেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার দুই আসনে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দুই প্রার্থী।

হুসাইন মালিক, চুয়াডাঙ্গা

Location :

Chuadanga
চুয়াডাঙ্গা-১ ও ২ আসনে জামানত হারালেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা
চুয়াডাঙ্গা-১ ও ২ আসনে জামানত হারালেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা |নয়া দিগন্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার দুই আসনে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দুই প্রার্থী।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে চুয়াডাঙ্গা-১ ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে দলটির প্রার্থীরা মোট বৈধ ভোটের শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট পেতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

জামানত হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আহম্মদ আলী জানান, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের মধ্যে যারা মোট বৈধ ভোটের শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশের কম ভোট পান, তাদের জামানত ফেরত দেয়া হয় না। এ বিধান অনুযায়ী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী জহুরুল ইসলাম আজিজী ১০ হাজার ১২২টি ভোট পেয়েছেন। তবে এটি জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সীমা অতিক্রম করতে পারেনি। এ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ১১ হাজার ৪১টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শরীফুজ্জামান শরীফ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৩টি ভোট।

এদিকে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনেও হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী হাসানুজ্জামান সজীব ৬ হাজার ৩৭৪টি ভোট পেয়ে জামানত রক্ষা করতে পারেননি। এ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী রুহুল আমিন ২ লাখ ৮ হাজার ১১টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহমুদ হাসান খান বাবু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৭৭টি ভোট।

এবারের নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার দুই আসনেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থীদের মধ্যে। নির্বাচনী প্রচারে সক্রিয় উপস্থিতি থাকলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা ভোটের লড়াইয়ে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারেননি।

তবে দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীরা দাবি করেছেন, ভোটের পরিবেশ ও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারা।