সিসিক প্রশাসকের পরিদর্শ ন

ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত লালদিঘি হকার্স মার্কেটের শেড সংস্কারের আশ্বাস

সিসিক প্রশাসক বলেন, আকস্মিক ঝড়ে লালদিঘি হকার্স মার্কেটের শেডগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কয়েকজন ব্যবসায়ীর মালামাল নষ্ট হয়েছে। দ্রুত সংস্কারের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনার ব্যবস্থা করা হবে।

আবদুল কাদের তাপাদার, সিলেট ব্যুরো

Location :

Sylhet
সিলেটে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত লালদিঘিরপাড় হকার্স মার্কেট এলাকার অস্থায়ী বাজার (হকার্স শেড) পরিদর্শন করেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
সিলেটে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত লালদিঘিরপাড় হকার্স মার্কেট এলাকার অস্থায়ী বাজার (হকার্স শেড) পরিদর্শন করেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী |নয়া দিগন্ত

সিলেটে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত লালদিঘি হকার্স মার্কেটের শেড দ্রুত সংস্কার করা হবে বলে জানিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও কালীঘাটমুখী একটি বিকল্প রাস্তা চালুর বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত লালদিঘিরপাড় হকার্স মার্কেট এলাকার অস্থায়ী বাজার (হকার্স শেড) পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, আকস্মিক ঝড়ে লালদিঘি হকার্স মার্কেটের শেডগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কয়েকজন ব্যবসায়ীর মালামাল নষ্ট হয়েছে। দ্রুত সংস্কারের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনার ব্যবস্থা করা হবে।

নগর উন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, সিসিকের নিজস্ব আয় অত্যন্ত সীমিত। নগরের মাত্র ৩০ শতাংশ বাড়ির মালিক হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করেন। এই আয় দিয়ে আধুনিক নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই নগরবাসীকে নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদান এবং ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে তিনি আরো বলেন, সিলেট নগরের বিভিন্ন রাস্তা ও ফুটপাতে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের কারণে যানজট সৃষ্টি হয় এবং নগরের সৌন্দর্য নষ্ট হয়। এ সমস্যা সমাধানে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের জন্য লালদিঘিরপাড় হকার্স মার্কেটের খালি জায়গায় অস্থায়ী শেড নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় ব্যবসায়ীরা এখানে বিনা খরচে ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং বিদ্যুৎ বিলও সিটি করপোরেশন বহন করছে।

গ্রিন ও ক্লিন সিটি গড়ার লক্ষ্যে নগরবাসীকে যত্রতত্র ময়লা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলার আহ্বান জানান সিসিক প্রশাসক।

পরিদর্শনকালে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, মো. মাহবুবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও হকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।