বরগুনায় নির্বাচনের জেরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ক্যাবেল কেটেছে দুর্বৃত্তরা, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি

বরগুনায় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে নির্বাচন করায় ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ৫ শতাধিক গ্রাহকের তার কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।

গোলাম কিবরিয়া, বরগুনা

Location :

Barguna
বরগুনায় নির্বাচনের জেরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ক্যাবেল কেটেছে দুর্বৃত্তরা, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি
বরগুনায় নির্বাচনের জেরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ক্যাবেল কেটেছে দুর্বৃত্তরা, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি |নয়া দিগন্ত

বরগুনায় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে নির্বাচন করায় ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ৫ শতাধিক গ্রাহকের তার কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। গত কয়েকদিন যাবৎ এমন ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেন ইন্টারনেট ব্যবসায়ী পরিবারটি।

বরগুনার বামনা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রোকন সাবেক অধ্যক্ষ সৈয়দ মানজুরুর রব মুর্তাযা আহসান মামুন জামায়াতে ইসলামীর মনোনিত সংসদ সদস্য প্রার্থীর নির্বাচন করায় তার ২ ছেলের ইন্টারনেট ব্যবসার লাইনে এমন হামলা হয়েছে বলে দাবি করেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টার দিকে বামনায় তাদের নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মলন করে এসব অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তার ছেলে সৈয়দ নাহিন আহসান অভিযোগ করে বলেন, তাদের নিজ মালিকানাধীন ‘রুরাল নেট’ নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আওতায় গত প্রায় ৮ বছর যাবৎ বামনা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা আসছে। এর আগে কখনো তাদের ইন্টারনেট লাইনের ক্যাবেল কাটা কিংবা অন্য কোন সমস্যায় পরতে হয়নি।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বিগত সময়ও আমরা রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতার বিরোধী ছিলাম। তখনো এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। গত ৯-১০ দিন যাবৎ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ক্যাবেল কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলছে দুর্বৃত্তরা। এতে প্রায় ৭-১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার দাবি করেন।

এ ঘটনায় বামনা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন, ‘রুরাল নেট’ এর স্বত্ত্বাধিকারী সৈয়দ এম এম শাফিন আহসান।

লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গত কয়েকদিন থেকে আমাদের ইন্টারনেট লাইনের ক্যাবেল তার ও যন্ত্রাংশ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।

তিনি অভিযোগে বেশ কয়েকটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজও দাখিল করার বিষয়ও উল্লেখ করেন।

এ অভিযোগের বিষয় বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঘটনার বিষয় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’