জ্বালানি তেল পাচাররোধে মৌলভীবাজার সীমান্তে বিজিবির বিশেষ নজরদারি

আইসিপি দিয়ে সীমান্ত পারাপারকারী পণ্যবাহী যানবাহনের চলাচল এবং তাদের জ্বালানি গ্রহণ ও ব্যবহারের উপর পর্যবেক্ষণ রাখাসহ সম্ভাব্য পাচার রোধে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুটে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে আকস্মিক তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

Location :

Maulvibazar
বিজিবির নজরদারি
বিজিবির নজরদারি |নয়া দিগন্ত

মৌলভীবাজার সীমান্তে জ্বালানি তেল পাচার রোধে স্পর্শকাতর ও ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট, আইসিপি সংলগ্ন সীমান্ত সড়কসমূহে এবং সম্ভাব্য রুটগুলোতে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষ নজরদারি বৃদ্ধি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সাম্প্রতিক সময়ের বৈশ্বিক অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পাচারের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

রোববার (৮ মার্চ) সকালে শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজিবি সদর দফতরের নির্দেশনায় শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের (৪৬ বিজিবি) অধিনস্থ সকল বিওপিসমূহ কর্তৃক কুলাউড়া, কমলগঞ্জ এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলার সীমান্তবর্তী ১১৫ কিলোমিটার এলাকায় জ্বালানি পাচার প্রতিরোধে স্পর্শকাতর ও ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট, আইসিপি সংলগ্ন সীমান্ত সড়কসমূহে এবং সম্ভাব্য রুটগুলোতে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষ নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। আইসিপি দিয়ে সীমান্ত পারাপারকারী পণ্যবাহী যানবাহনের চলাচল এবং তাদের জ্বালানি গ্রহণ ও ব্যবহারের উপর পর্যবেক্ষণ রাখাসহ সম্ভাব্য পাচার রোধে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুটে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে আকস্মিক তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, স্থানীয় প্রশাসন, কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয় পূর্বক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত পেট্রোল পাম্প এবং পরিবহন কেন্দ্রে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী বিওপি কমান্ডারগণ কর্তৃক পরিবহন মালিক, চালক, বন্দর সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজন এবং স্থানীয় জনসাধারণদের মধ্যে জ্বালানি পাচার এবং অপব্যবহাররোধে প্রেষণামূলক সভার আয়োজন করা হচ্ছে।

শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের (৪৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানান, দেশের জ্বালানি সম্পদ সুরক্ষায় শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে। এছাড়ও সীমান্ত এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।