অধ্যাপক মুজিবুর এমপি

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি

১৯৭১ সালে এদেশের মুক্তিকামী জনতা দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তদানীন্তন শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।

Location :

Rajshahi

রাজশাহী ব্যুরো
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর অতিক্রান্ত হলেও যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে আজও দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তাই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এদেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর উদ্যোগে বৃহষ্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর বাটার মোড়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যয় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে এদেশের মুক্তিকামী জনতা দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তদানীন্তন শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার। ক্ষুধা-দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও দুঃশাসন মুক্ত একটি দেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনতা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। লাখো মানুষের রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীনতা লাভ করে।

রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. মাওলানা কেরামত আলীর সভাপতিত্বে এবং মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মন্ডলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় মধ্যে রাজশাহী মহানগরী নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট আবু মোহাম্মদ সেলিম ও ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আহসান বুলবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন সরকার, বাণিজ্য ও কল্যাণ সম্পাদক অধ্যাপক একেএম সারওয়ার জাহান প্রিন্স, অফিস সম্পাদক তৌহিদুর রহমান সুইট, তারবিয়াত সম্পাদক হাফেজ নুরুজ্জামান, যুব বিভাগের সেক্রেটারি সালাউদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে ড. মাওলানা কেরামত আলী বলেন, গত জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মাধ্যমে দেশ আবার নতুন করে দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীনতা অর্জন করেছে। দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের জগদ্দল পাথরের ন্যায় চেপে বসা জালিমের হাত থেকে মুক্ত হয়ে দেশের মানুষ মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে পারছে। দেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেয়েছে। কিন্তু পতিত সরকারের দোসররা এবং দেশের কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল বিদেশী আধিপত্যবাদী শক্তির সহায়তায় ছাত্র-জনতার এই গণআন্দোলনকে বিতর্কিত করার জন্য গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। পতিত স্বৈরাচারকে ফিরে আনার অপতৎপরতা শুরু করেছে। তাই দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ, সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। সরকারকে কঠোর হতে হবে।