সাতকানিয়ায় নাজমুল মোস্তফা আমিন

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন অসম্ভব

সংসদ নির্বাচনের আগেই থানা থেকে লুন্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। ৫ আগস্টের পর সাতকানিয়ায় ডাবল মার্ডার হয়েছে, প্রকৃত দোষীরা এখনো গ্রেফতার হয়নি। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে লুন্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র।

মনজুর আলম, সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম)

Location :

Satkania
সাতকানিয়ায় নাজমুল মোস্তফা আমিন
সাতকানিয়ায় নাজমুল মোস্তফা আমিন |নয়া দিগন্ত

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন বলেছেন, সংসদ নির্বাচনের আগেই থানা থেকে লুন্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। ৫ আগস্টের পর সাতকানিয়ায় ডাবল মার্ডার হয়েছে, প্রকৃত দোষীরা এখনো গ্রেফতার হয়নি। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে লুন্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে সাতকানিয়ার কেরানীহাট এলাকায় সী-ওয়ার্ল্ড কমিউনিটি হলে সাতকানিয়ায় কর্মরত সংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, প্রায় দিন বিভিন্ন অজুহাতে আক্রান্ত হচ্ছে রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ। যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করলেই মানুষকে শিকার হতে হচ্ছে নানা ধরনের অত্যাচার নির্যাতনের। যার ফলে সাধারণ ভোটাররা শঙ্কিত। নিশ্চিন্তে ভোট দিতে কেন্দ্রে যেতে পারবে কিনা সন্দিহান ভোটাররা। তাই নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, ও নিরপেক্ষ করতে হলে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের কোন বিকল্প নাই।

শুধু সাতকানিয়ায় কথায় কথায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার হরহামেশাই ঘটছে তা কিন্তু নয়; লোহাগাড়া উপজেলাতেও এর ব্যতিক্রম নয়। নির্বাচন কমিশনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান এ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সাঁড়াশি ও চিরুনি অভিযান চালাতে হবে। না হয় অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে সাধারণ ভোটারদের ভোট দান থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করবে সন্ত্রাসীরা।

নাজমুল মোস্তফা আমিন আরো বলেন, ভোটাররা লাইন ধরে সুষ্ঠু ও নিরাপদে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলেই ধানের শীষের বিজয় কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। ভোটারদের নিরাপত্তা আগে নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি প্রশাসনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান এখন থেকে ভোটারদের ভয় মুক্ত করতে হবে। এজন্য প্রকৃত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির ১ নম্বর সদস্য অধ্যাপক শেখ মো: মহিউদ্দিন, জসিম উদ্দিন আবদুল্লাহ, জান্নাতুল নাঈম রিকু, অ্যাডভোকেট এরশাদুর রহমান রিটু, নুরুল কবির বাদশা, হাজী আহমদ কবির, অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসাইন, অ্যাডভোকেট হাফিজুল ইসলাম মানিক, শাহাব উদ্দিন রাশেদ, হাসান আলী, সাজেদুল আলম মিঠু, হাজী আবু তালেব, মো: শফি, মো: ইব্রাহিম মেম্বার, মোদাচ্ছির আলম, জুনাইদুল হক চৌধুরী ও মো: আরিফ প্রমুখ।