কুমিল্লার চান্দিনায় আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে আটটি দোকান। এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার দোল্লাই নবাবপুর দক্ষিণ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে দোকানের ভেতর আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে কাঠ ও দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তেই আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী চাঁদপুর জেলার কচুয়া ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।
ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে তাহেরের তিনটি, আতিকের দু’টি এবং ইউনুছের একটি কাঠের দোকানসহ আরো বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। দোকানে থাকা কাঠ, আসবাবপত্র ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়ায় নিঃস্ব হয়ে গেছেন ব্যবসায়ীরা।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানায়, মুহূর্তের মধ্যেই সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। কোনো কিছুই বের করার সুযোগ পাননি তারা। তাদের দাবি, এই আগুনে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
তারা বলেন, আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া তাদের কিছুই করার ছিল না। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত পৌঁছালে হয়তো ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা হলেও কমানো যেত।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, চান্দিনা ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা অমিত হাসান বলেন, ‘ঘটনাস্থলটি আমাদের স্টেশন থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। এছাড়া মাধাইয়া-রহিমানগর সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব না।’
তিনি বলেন, ‘খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পাশ্ববর্তী চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলা ফায়ার সার্ভিস টিমকে অবহিত করা হয় এবং তারাই ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’



