রাতভর বৃষ্টির মতো ঝরে কুয়াশা। সকালের দিকেও কুয়াশাচ্ছাদিত থাকে পথঘাট। ঘন কুয়াশায় যেন দৃষ্টিসীমাও সীমাবদ্ধ। সাথে কনকনে শীতে কাবু পুরো জনপদ। জেলায় দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৬ ডিগ্রির ঘরে। বইছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা চলতি মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা বিরাজ করলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। সে হিসেবে এ এলাকার ওপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার একই সময়ে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে এদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কিছুদিন ধরেই এ অঞ্চলে শীতের তীব্রতা একটু বেশি। কনকনে শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। রাত বাড়তে থাকলে বাড়ে শীতের দাপট। সকাল অবধি ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকে পথঘাট। সেভাবে সূর্যেরও দেখা মেলে না।
এদিকে, কনকনে শীতে দুর্ভোগে রয়েছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষেরা। সময়মতো কাজে যেতে পারছেন না শ্রমজীবীরা। বিপাকে যানবাহন চালকরাও। তাদের সকালের দিকেও হেডলাইট জ্বালিয়ে সাবধানে চলাচল করতে হচ্ছে। শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে অনেকেই খড়খুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের জেষ্ঠ্য পর্যবেক্ষক জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, আজকে সকাল ৯টায় ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ এবং গতিবেগ ছিল ১০-১২ কিলোমিটার। জানুয়ারি জুড়েই এমন শীত পরিস্থিতি থাকতে পারে।



