টাঙ্গাইলে ১৬ মাসে জেলা লিগ্যাল এইডের ৪৮৪টি বিরোধ নিষ্পত্তি

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনগত সহায়তা কমিটির উদ্যোগে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

Location :

Tangail
জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলে আদালত চত্বরে র‌্যালি বের হয়
জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলে আদালত চত্বরে র‌্যালি বের হয় |নয়া দিগন্ত

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলে জেলা লিগ্যাল এইড ১৬ মাসে ৪৮৪টি বিরোধ নিষ্পত্তি করেছে। এ সময় নিষ্পত্তিকৃত বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) মাধ্যমে অসহায় ও প্রান্তিক বিচারপ্রার্থীদেরকে এক কোটি ২৬ লাখ এক হাজার ৪২৫ টাকা প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনগত সহায়তা কমিটির উদ্যোগে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

এর আগে, জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে আদালত ভবনের প্রধান ফটকের সামনে থেকে একটি র‌্যালি শুরু হয়ে আদালত এলাকা ঘুরে পুনরায় প্রধান ফটকের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুমেলিয়া সিরাজামের পরিচালনায় আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আইনগত সহায়তা কমিটির চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো: হাফিজুর রহমান।

সভায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও জেলা আইনগত সহায়তা কমিটির সদস্য সচিব মো: মিনহাজ উদ্দিন ফরাজি বলেন, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছর এপ্রিল পর্যন্ত ১৬ মাসে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে আপস মীমাংসার জন্য প্রাপ্ত ৬১৭টি এডিআরের মধ্যে ৪৮৪টি নিষ্পত্তি করা হয়।

তিনি বলেন, একই সময়ে মোট এক হাজার ২৭৭ জন অপেক্ষাকৃত সুবিধা-বঞ্চিত বিচার প্রার্থীদের আইনগত পরামর্শ দেয়া হয়েছে। একই সময়ে প্রাপ্ত ৫৮৯টি মামলার মধ্যে ১৯৭টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। যার ফলে মামলা সংশ্লিষ্ট শত শত অসহায় পরিবার সরকারি খরচে আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ হয়েছে।

অনুষ্ঠানে এমদাদুল হক ও রওশন আরা সিদ্দিকীকে জেলা লিগ্যাল এইডের মামলা পরিচালনায় সেরা আইনজীবীর পুরষ্কার দেয়া হয়।

আলোচনা সভায় টাঙ্গাইলের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. মো: আবদুল মজিদ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো: কামরুজ্জামান, পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার, সিভিল সার্জন এফ এম মাহবুবুল আলম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব হাসান, অ্যাডভোকেট বার সমিতির সভাপতি মোনায়েম হোসেন খান আলম, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শফিকুল ইসলাম রিপন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।