কিশোরগঞ্জে বেলতলী ব্রীজের সংযোগ সড়কে ধস, যান চলাচল বন্ধ

২০১৪ সালে প্রায় কয়েক কোটি টাকা ব্যায়ে ১৪০ মিটার দীর্ঘ ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়। নির্মানের পর থেকে প্রায় প্রতি বছর একই জায়গায় ধসে যাওয়ার কারণে জনগণ দুর্ভোগের স্বীকার হয়।

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) সংবাদদাতা

Location :

Kishoreganj
বেলতলী ব্রীজের সংযোগ সড়কটি ধস
বেলতলী ব্রীজের সংযোগ সড়কটি ধস |নয়া দিগন্ত

কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতের কারণে ও উজানের ঢলে ক্রমাগত পানির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের নিতাই ইউনিয়ন পরিষদ যাওয়ার একমাত্র সড়কের ওপর নির্মিত বেলতলী ব্রীজের সংযোগ সড়কটি ধসে গিয়েছে। এতে ওই সড়কে ভারী যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

উপজেলা প্রকৌশল দফতর সূত্রে জানা গেছে, নিতাই ইউনিয়নের মুশরুত পানিয়াল পুকুর বেলতলী ঘাঁটে চাঁড়ালকাঁটা নদীর উপর ২০১৪ সালে প্রায় কয়েক কোটি টাকা ব্যায়ে ১৪০ মিটার দীর্ঘ ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়। ব্রীজটি নির্মানের পর গত কয়েক বছর প্রতি বর্ষার সময় অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে ব্রীজের দক্ষিণে দিকে ধসে যায়।

নিতাই ইউনিয়নের মুশরুত পানিয়াল পুকুর গ্রামের বাসিন্দা আবু তালেব ও সহিদার রহমান জানান, ব্রীজটি নির্মানের পর প্রায় প্রতি বছর একই জায়গায় ধসে যাওয়ার কারণে জনগণ দুর্ভোগের স্বীকার হয়। উপজেলা প্রকৌশল দফতর ও প্রশাশনের লোকজন পরিদর্শনে এসে নামমাত্র কাজ করে সড়ক চলাচলের উপযোগী করে চলে যায়।

নিতাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোত্তাকিনুর রহমান আবু জানান, ব্রীজটির দক্ষিণ দিকের সংযোগ সড়কটি প্রতি বছর ভাঙে, প্রতি বছর সংস্কার হয়। প্রকৌশল দফতরের উচিত সংযোগ সড়কটির ভাঙন রোধে বড় ধরনের বরাদ্দ নিয়ে স্থায়ীভাবে সমস্যা সমাধান করা। তা না করে প্রতিবছর দায়সারা কাজ করার কারণে বারবার সড়কটির একই জায়গায় ধসে পরে জনগণের চলাচলে ভোগান্তি হয়।

উপজেলা প্রকৌশলী মাহামুদুল হাসান বলেন, ‘ব্রীজের দক্ষিণ দিকে সংযোগ সড়কটি ধসে গিয়ে যান চলাচল বন্ধের খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। বর্তমানে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে, দ্রুত ধসে যাওয়া অংশটি মেরামত করে যান চলাচল স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া করছি। পরে মোটা অঙ্কের বরাদ্দ এনে স্থায়ীভাবে সমাধান করা হবে।’