গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) ঋণের কিস্তির চাপ সইতে না পেরে লিটন কাজী (৩২) নামের এক যুবক বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। এদিকে ছেলের লাশ বাড়িতে আনার পর সেই শোক সহ্য করতে না পেরে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন তার বাবা মান্নান কাজী (৬০)।
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত ১০টায় একসাথে বাবা-ছেলের জানাজা শেষে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
রোববার (১৬ আগস্ট) উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের লোহাচুড়া গ্রামে মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের লোহাচুড়া গ্রামের লিটন কাজী বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ গ্রহণ করেছিলেন। গত রোববার কিস্তির টাকার জন্য এক এনজিও কর্মীর সাথে তার বাকবিতণ্ডা হয় এবং অপমানে তিনি বিষপান করেন। পরে পরিবারের লোকজন তাকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয়।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার (১৭ আগস্ট) লিটন কাজীর লাশ লোহাচুড়া গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। সন্তানহারা বৃদ্ধ বাবা মান্নান কাজী ছেলের লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং মুহূর্তের মধ্যে শোকের তীব্রতায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এতে তারও মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন মহারাজপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো: জাহিদ হোসেন।



