নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে অসহায় যুবক শাহাদাত হোসেনের পুর্নবাসন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান। জীবিকা নির্বাহের উৎস হিসেবে ওই যুবককে ব্যাটারিচালিত নতুন অটোরিকশা উপহার দিলেন এমপি মান্নান।
উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মছলন্দপুর গ্রামের অটোচালক শাহাদাত হোসেন দুর্ঘটনায় আহত হয়ে প্রায় এক বছর ধরে দূর্বিষহ জীবনযাপন করছিলেন। জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রচারণায় গিয়ে তার চিকিৎসার খোঁজখবর, ব্যয়ভার বহন ও পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান। ওই সময় এমপি মান্নান শাহাদাতকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, শাহাদাত সুস্থ হয়ে ওঠলে তার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেবেন তিনি। তাকে স্বাবলম্বী করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।
সেই প্রতিশ্রুতি পালন করেছেন এমপি মান্নান। এছাড়াও এর আগে বিভিন্ন সময়ে এমপি মান্নানের নির্দেশনায় অসুস্থ শাহাদাতের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সোনারগাঁও পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হযরত আলী রানা ও প্রবাসী বন্ধমহল।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে মছলন্দপুর গ্রামের অটোচালক মো: শাহাদাত হোসেনের বাড়িতে গিয়ে তার পুর্নবাসন ও কর্মসংস্থানের জন্য এমপি মান্নানের দেয়া উপহার একটি নতুন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চাবি শাহাদাতের কাছে হস্তান্তর করেন সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের পক্ষে সোনারগাঁও পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হযরত আলী রানা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাংসদ আজহারুল ইসলাম মান্নানের রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী ও সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো: সেলিম হোসেন দিপু, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল জলিল, সোনারগাঁও পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহের আলী, সোনারগাঁও উপজেলা জাসাসের সভাপতি মো: আমির হোসেন, বারদী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি করিম মেম্বার, সহ-সভাপতি শামসুদ্দিন মুকুল, নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সদস্য মো: জামাল হোসেন, সোনারগাঁও উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো: জামান, সোনারগাঁও উপজেলা ছাত্রদল নেতা ইয়ামিন রহমান শিশির, মো: জোবায়ের আহমেদ সামিসহ মছলন্দপুর গ্রামের যুব সমাজের স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অটোরিকশা পেয়ে শাহাদাত হোসেন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান, দুর্ঘটনার পর তিনি দিশেহাড়া হয়ে পড়েছিলেন। সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের সহায়তায় চিকিৎসা, সংসারের ব্যয়ভার ও এখন নতুনভাবে কর্মসংস্থান শুরু করার সুযোগ পাওয়ায় তিনি ও তার পরিবার নতুন করে আশার আলো দেখছেন।



