ঝিনাইদহের মহেশপুরে হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন। পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মীদের কাছে তাদের ঠিকাদারের এক লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির বিষয়টি জানতে পারেন। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি আউটসোর্সিং কর্মীদেরকে কোনো ঘুষ না দেয়ার নির্দেশ দেন এবং অভিযুক্ত ঠিকাদার মনিরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দেন।
রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে মন্ত্রী মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে আসেন।
পরিদর্শনে মন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীদের সাথে কথা বলেন। পরে ওষুধ বিতরণ ও মজুদ কার্যক্রম, রেজিস্টার, অপারেশন থিয়েটার এবং অফিসের বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে দেখেন।
এ সময় তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্তমান ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
পরে, হাসপাতালের অফিস কক্ষে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: হেলেনা আক্তার নিপা স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানান, হাসপাতালে ডাক্তার, নার্স ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীর সংকট রয়েছে। এ বিষয়ে মন্ত্রী স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে ফোন করে হাসপাতালের জনবল সঙ্কটের বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের নির্দেশ দেন।
এছাড়া সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে আউটসোর্সিংয়ে যারা এখনো বেতন পায়নি, তাদের বেতন দেয়ার ব্যবস্থা ও হাসপাতালের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা হবে বলেও আশ্বাস দেন।
মহেশপুরের ভৈরবা হাসপাতালটি বন্ধ থাকার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকারের নানা ধরনের পরিকল্পনা আছে। দেশের প্রতিটা ইউনিয়নে একটি করে হেলথ সেন্টার চালু করা হবে। এছাড়া সারাদেশে দুই থেকে আড়াই হাজার বেডের ১০-১২টি বিশেষায়িত হাসপাতাল করা হবে। যার মধ্যে দু’টি থাকবে মহিলাদের জন্য।
আকস্মিক পরিদর্শনের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, অনেক হাসপাতালে ডাক্তার অনুপস্থিত থাকে, সরকারি ঔষধ থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরে থেকে ঔষধ কিনে আনতে হয়। হাসপাতালের পরিবেশ অপরিচ্ছন্ন থাকে। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এ আকস্মিক পরিদর্শনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।



