গাজীপুরের শীর্ষ শিক্ষাবিদ্যা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উদযাপন করেছে।
দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি), জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) একযোগে নানা কর্মসূচি আয়োজন করে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়।
ডুয়েটে রাত ১২টা ১ মিনিটে ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা পর্যায়ক্রমে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) ভাষা আন্দোলনের শহিদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে বলেন, শহিদদের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও সমাজ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া সকলের দায়িত্ব। তিনি চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মোকাবিলা ও পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের প্রস্তুতির জন্য কার্যকর শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্বারোপ করেন।
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, কালো ব্যাজ ধারণ, প্রভাতফেরি ও কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবস উদযাপিত হয়। ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান ভাষা আন্দোলনকে ‘প্রেরণা ও সংগ্রামের চিরন্তন উৎস’ আখ্যায়িত করে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আত্মত্যাগের নজিরকে বিশ্বে অনন্য উল্লেখ করেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। গাজীপুর ক্যাম্পাস, ঢাকার নগর কার্যালয় ও আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোতেও একই কর্মসূচি পালন করা হয়।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাউবি) ভিসি, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। বিশেষ আলোচনা সভা, দোয়া ও প্রার্থনার মাধ্যমে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
বারি’তেও মহাপরিচালক ড. মুহাম্মদ আতাউর রহমানের নেতৃত্বে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিশেষ দোয়া ও র্যালির মাধ্যমে দিবস উদযাপন করা হয়।
সার্বিকভাবে, গাজীপুরের এই প্রতিষ্ঠানগুলো ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।



