ভালুকায় পোশাক কারখানায় আগুন

আগুনের ঘটনায় তাৎক্ষণিক দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ায় কোনো শ্রমিক হতাহত হননি এবং কারখানাটির বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতিও হয়নি।

আসাদুজ্জামান, ভালুকা (ময়মনসিংহ)

Location :

Mymensingh
এসকিউ গ্রুপের পোশাক কারখানা
এসকিউ গ্রুপের পোশাক কারখানা |নয়া দিগন্ত

ময়মনসিংহের ভালুকায় এসকিউ গ্রুপের একটি পোশাক কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।

রোববার (১০ মে) রাত সোয়া ৮টার দিকে উপজেলার কালার মাস্টার এলাকায় অবস্থিত এসকিউ গ্রুপের ‘বিরিকিনা’ কারখানার ষষ্ঠ তলায় একটি এয়ারকুলার থেকে আগুনের সুত্রপাত ঘটে। তবে প্রতিষ্ঠানের আধুনিক অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে এ ঘটনায় কোনো শ্রমিক হতাহত হননি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কারখানা কর্তৃপক্ষ ও ফায়ার সার্ভিস সুত্রে জানা গেছে, রাতে কারখানার ষষ্ঠ তলায় একটি এয়ারকুলারে হঠাৎ আগুন লাগে। এসময় স্প্রিংকলার ফেটে ফায়ার অ্যালার্ম বেজে ওঠে। অ্যালার্মের শব্দে তাৎক্ষণিক কারখানার নিজস্ব প্রশিক্ষিত ফায়ার ফাইটিং টিমের সদস্যরা অগ্নিনির্বাপণ কাজ শুরু করেন এবং ভালুকা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে ভালুকা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কারখানার ফায়ার ফাইটিং টিমের সাথে আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগদেন। ফায়ার সার্ভিস ও কারখানার নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং টিমের প্রায় এক ঘন্টা চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভালুকা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, রাত সোয়া ৮টার দিকে খবর পাওয়ার পরপরই তাদের ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে এবং সাড়ে ৯টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে, একটি এয়ারকুলার থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে বলা যাবে।

কারখানার হেড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাজিব জানান, প্রতিষ্ঠানের আধুনিক অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে আগুন লাগার বিষয়টি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। নিজস্ব প্রশিক্ষিত টিমের দ্রুত তৎপরতায় বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। বর্তমানের আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে।

আগুনের সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ময়মনসিংহ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের উপমহাপরিদর্শক আহমাদ মাসুদ জানান, আগুনের ঘটনায় তাৎক্ষণিক দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ায় কোনো শ্রমিক হতাহত হননি এবং কারখানাটির বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতিও হয়নি।