রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল আজহা। তবে শেষ মুহূর্তে বেচা-কেনা জমজমাট হয়ে উঠেছে জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার কোরবানির পশুর হাটগুলোতে।
উপজেলার প্রতিটি হাট পশু ও ক্রেতা-বিক্রেতায় পরিপূর্ণ। আজ শেষ দিন হওয়ায় সকাল থেকেই পশু নিয়ে হাজির হচ্ছেন পাইকার ও বিক্রেতারা। সকালের দিকে ক্রেতাদের উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে হাটগুলোতে উপচে পড়া ভিড় জমেছে।
হাটে বড় আকৃতির পশুগুলোর প্রতি চাহিদা কম থাকলেও নজর কাড়ছে প্রতিটি ক্রেতার। দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন অনেকেই। তবে অধিকাংশ ক্রেতার চাহিদা ছোট ও মাঝারি আকৃতির পশু। গত কয়েকদিনে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে দর-কষাকষির চিত্র বেশি থাকলেও আজ তা হচ্ছে না।
উপজেলায় স্থায়ী হাটগুলো ছাড়াও বেশি ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে দু’টি হাট বসেছে অস্থায়ীভাবে। এই উপজেলার মধ্যে বেশি বেচা-কেনার অন্যতম হাট গাজিপুর হাট। এছাড়া মেলান্দহ পৌর হাট, হাজরাবাড়ি পৌর হাট ও মাহমুদপুর হাটও বেশ জমে উঠেছে। দাম একটু কড়াকড়ি হলেও স্বস্তির ভাবেই চলছে বেচা-কেনা। প্রতিটি হাটেই নিরাপত্তার জন্য রয়েছে পুলিশ।
বিক্রেতারা বলছেন, এখন শেষ মুহূর্তে চলছে পশু বেচা-কেনা। আজ বিক্রি না হলে এ বছরের মতো আর বিক্রি হবে না। পুনরায় আরো এক বছর পালন করতে হবে। তাই লাভ কিছুটা কম-বেশি হলেও আজই বিক্রি সেরে ফেলতে চাইছেন বিক্রেতারা।
উপজেলার হাজরাবাড়ি পৌরসভার পশুর হাটে বিক্রি করতে আসা সুজন নামে এক খামারি বলেন, ‘কয়েক বছর ধরে গরুর খামার গড়ে তুলেছি। প্রতি বছর ঈদুল আজহায় বেশ ভালো দামেই গরু বিক্রি করি। এবার আজকেই শেষ সময়। আজকে এ পর্যন্ত তিনটা বিক্রি করছি, আরো দুইটা আছে। আশা করছি বিক্রি হয়ে যাবে। আজ ক্রেতা অনেক বেশি আসছে হাটে।’
মেলান্দহ উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন খায়রুল ইসলাম জানান, প্রতিটি হাটে অসুস্থ ও গর্ভবর্তী গরু নির্বাচনে কাজ করছেন ভেটেরিনারি কর্মকর্তারা। এছাড়া আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করছি।



