জিয়াউর রহমানের ঘোষণা ছিল জাতির জন্য আলোকবর্তিকা : তথ্যমন্ত্রী

শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে একটি ব্যতিক্রমধর্মী নাম। তিনি কখনো চিন্তা করেননি যে, তিনি রাজনীতিবিদ হবেন। তিনি একজন পেশাদারি সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন। ব্যক্তি জীবনে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে গেছেন।

জহুরুল ইসলাম জহির, গৌরনদী (বরিশাল)

Location :

Gaurnadi
দোয়া ও আলোচনা সভা
দোয়া ও আলোচনা সভা |নয়া দিগন্ত

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমান ছিলেন জাতির দিশারি ও তার বক্তব্য ছিল জাতির জন্য এক আলোকবর্তিকা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী থেকে বিদ্রোহ করে একতরফাভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। স্বাধিনতা ঘোষণার আগে জিয়াউর রহমান অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তিনি নিজেই দায়িত্ব নিয়ে ঘোষণা দিয়েছিলেন।’

শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে গৌরনদী উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন রাজনৈতিক মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা ঘোষণায় তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। ২৫ মার্চ শেখ মুজিব আটক হলেন এবং ১০ এপ্রিল তাজ উদ্দিন বক্তব্য করলেন। মাঝখানে এই সময়ে জিয়াউর রহমানের ঘোষণাই ছিল জাতির দিশারী ও জাতির জন্য এক আলোকবর্তিকা। শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে একটি ব্যতিক্রমধর্মী নাম। তিনি কখনো চিন্তা করেননি যে, তিনি রাজনীতিবিদ হবেন। তিনি একজন পেশাদারি সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন। ব্যক্তি জীবনে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে গেছেন। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ এক দলীয় শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান রাজনৈতিকভাবে তৈরি করার জন্য তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের কথা চিন্তা করে ১৯৭৮ সালে জাতীয়তাবাদী সব নেতাকর্মীদের নিয়ে বিএনপির জন্ম দিয়েছিলেন। সেই দল আজ ক্ষমতায়। একটি আদর্শ কতটা সঠিক হলে শহীদ জিয়ার হাত ধরে খালেদা জিয়ার মাধ্যমে আজ তারেক রহমানের হাতে শোভা পায়।’

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লবের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান শরিফ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো: বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো: জাকির হোসেন শরীফ, সদস্য সচিব শফিকুর রহমান শরিফ স্বপন, জেলা উত্তর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইয়েদুল আলম খান সেন্টু, পৌর বিএনপির ১ নম্বর সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো: কামরুজ্জামান খোকন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।