ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালত থেকে পালালো দুই আসামি, আটক ১

আদালতের প্রধান ফটকের কাছে পৌঁছালে সুযোগ বুঝে দুই আসামি দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ সজল (২৯) নামে একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। তবে শাহীন (২৯) নামে অপর আসামি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালত থেকে পালানোর পর আবারো আটক আসামি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালত থেকে পালানোর পর আবারো আটক আসামি |নয়া দিগন্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মাদক মামলার দুই আসামির পলায়নের ঘটনা ঘটেছে। এদের মধ্যে একজনকে তাৎক্ষণিক অভিযানে আটক করা হলেও অপর আসামি এখনও পলাতক রয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে বাঞ্ছারামপুর থানা থেকে গ্রেফতার আসামিদের আদালতের হাজতখানায় নেওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আদালতের প্রধান ফটকের কাছে পৌঁছালে সুযোগ বুঝে দুই আসামি দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ সজল (২৯) নামে একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। তবে শাহীন (২৯) নামে অপর আসামি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

পলাতক ও আটক দুই আসামিই বিজয়নগর উপজেলার কাশিনগর এলাকার বাসিন্দা। তারা হলেন মৃত হাসেম মিয়ার ছেলে সজল এবং মৃত জালাল মিয়ার ছেলে শাহীন।

এর আগে সোমবার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আইয়ুবপুর ইউনিয়নের কানাইনগর এলাকা থেকে প্রায় ২ কেজি মাদকসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার আদালতে প্রেরণের সময় এ পলায়নের ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পরপরই আদালত প্রাঙ্গণ ও আশপাশ এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মফিজুল ইসলাম বাবুল বলেন, আসামিকে হাজতে নেয়ার সময় পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে দায়িত্বে থাকা সদস্যদের অবহেলা থাকতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি দ্রুত পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের দাবি জানান।

এ বিষয়ে কোর্ট পরিদর্শক মো. হাবিবুল্লাহ বিস্তারিত মন্তব্য করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা আসামি বুঝে পাইনি। বাঞ্ছারামপুর থানার কনস্টেবল সোহেল ও রয়েল বড়ুয়া তাদের নিয়ে এসেছিলেন। পলাতক আসামিকে ধরতে পুলিশ কাজ করছে।”

উল্লেখ্য, এর আগেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে আসামি পালানোর ঘটনা ঘটেছে। ফলে আদালত এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।