খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে খোলা ভোজ্যতেল বিক্রি বন্ধ করতে হবে

বক্তারা খোলা ভোজ্যতেল বিক্রির নানা অপকারিতা ও শারীরিক ঝুঁকি বিশদভাবে তুলে ধরেন। তারা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাজারে শতভাগ প্যাকেটজাত ভোজ্যতেল সুনিশ্চিত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় আহ্বান জানান।

ওমর আলী বাবু, জয়পুরহাট

Location :

Joypurhat
বক্তব্য রাখছেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী
বক্তব্য রাখছেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী |নয়া দিগন্ত

জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেছেন, ‘জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাজারে স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ খাদ্য সুনিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। খোলা ভোজ্যতেল বিক্রির কারণে মানবদেহে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তাই নিরাপদ খাদ্য সুনিশ্চিত করতে খোলা ভোজ্যতেল বিক্রি বন্ধ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাজারগুলোতে ভেজালমুক্ত ও গুণগত মানসম্পন্ন প্যাকেটজাত ভোজ্যতেল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি স্টেকহোল্ডারকে নিজস্ব অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।’

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে খোলা ভোজ্যতেল বিক্রয় বন্ধের লক্ষ্যে স্থানীয় স্টেকহোল্ডারদের ভূমিকা সংক্রান্ত জেলা অ্যাডভোকেসি সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আয়োজনে ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের পৃষ্ঠপোষকতায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসন।

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) আল মামুন মিয়া, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান, পুলিশ সুপার (এসপি) শাহনাজ বেগম, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কনসালটেন্ট, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুশতাক হাসান মুহম্মদ ইফতিখার, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ডা: সোহেল রেজা চৌধুরী, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমাইয়া আফরিন জিনিয়া, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াহাব, জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিকসহ প্রমুখ।

সভায় অন্য বক্তারা খোলা ভোজ্যতেল বিক্রির নানা অপকারিতা ও শারীরিক ঝুঁকি বিশদভাবে তুলে ধরেন। তারা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাজারে শতভাগ প্যাকেটজাত ভোজ্যতেল সুনিশ্চিত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় আহ্বান জানান।

জেলা অ্যাডভোকেসি সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি ও স্থানীয় বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।