নজরুল ইসলাম, সীতাকুণ্ড ও এম মাঈন উদ্দিন মিরসরাই (চট্টগ্রাম)
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘মায়েরা আমাদের মাথার তাজ, তাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘এখন কিন্তু মা-বোনেরা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছেন। তারা প্রতিবাদ করতে শিখেছেন। এজাতি সব বরদাশত করলেও মায়েদের উপর নির্যাতন সহ্য করবে না।’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌরসদরের ঢেবার মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ‘কিছু লোক কয়েকদিন ধরে আমার বিরুদ্ধে লেগে আছে। লেগে লাভ হবে না, নিজেরা ফেঁসে যাবে। আমি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলেছি, তাই আমার বিরুদ্ধে লেগেছে। আমি পরিবারতন্ত্র ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলেছি, আমি দেশকে সবাই মিলে গড়ার কথা বলেছি। তাই আমার বিরুদ্ধে লেগে গেছে। ঢাকসু দিয়ে শুরু, জকসুতে এসে থেমেছে আপাতত। সব জায়গায় এভাবে রায় দিবে জনগণ। তাই আগামী ১২ তারিখ ইতিহাস সৃষ্টি হবে ইনশাআল্লাহ।’
ডা: শফিক আরো বলেন, ‘আজ আজাদী জেগে উঠেছে, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া জোয়ার উঠেছে। স্বাধীনতার পর সরকার এসেছে, সরকার গেছে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘কেউ যদি টাকা দিয়ে ভোট কিনতে আসে, তাদের আইনের হাতে তুলে দেবেন। আগে একটা স্লোগান ছিল- আমার ভোট আমি দেব, তোমার ভোটও আমি দেব। এবার তা হবে না, যে দুইটি ভোট দিতে আসবে তার হাত গুটিয়ে দেব।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, সারা দেশসহ বীর চট্টলার মানুষ সঠিক সীদ্ধান্ত নেবে। আমি বা আমরা, জমায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসতে চাই না। ক্ষমতায় আসবে ১৮ কোটি মানুষ। আমরা যেন রাষ্ট্রের সবকিছু বণ্টন করে দিতে পারি। যারা ১৩ তারিখ থেকে নতুন বাংলাদেশ দেখতে চান, ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতায় আনবেন।’
বক্তব্য শেষে তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাতটি আসনে প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের আমীর আলাউদ্দিন শিকদারের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আব্দুল জব্বারে সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় জামায়েতের অ্যাসিটেন্ট সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উত্তর জেলা জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যক্ষ আমিরুজ্জামান, অধ্যাপক নুরুল আমিন চৌধুরী, উত্তর জেলা শ্রমিক সভাপতি ইউসুফ বিন আবু বকর, চট্টগ্রাম-১ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট ছাইফুর রহমান, চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ আসনের প্রার্থী নাসির উদ্দিন মনির, চট্টগ্রাম-৬ আসনের প্রার্থী শাহজাহান মঞ্জু, চট্টগ্রাম-৭ আসনের প্রার্থী ডা: এ টি এম রেজাউল করিম, সনাতন প্রতিনিধি দোলন দেব, কেন্দ্রীয় তত্ত্বাবধায়ক ইব্রাহিম, ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ, চবি শিবির সভাপতি ও চাকসু ভিপি ইব্রাহিম রনি, উত্তর জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি শওকত আলী, হাসান ইমাম- আসন পরিচালক (ছাত্র), এনসিপি শাগুফতা বুশরা মিশমা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা জাফরুল্লাহ নিজামী, এবি পার্টির জিয়া চেীধুরী, নেজামে ইসলাম পার্টির মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ আলী, হাফেজ জাকারিয়া খালেদ, সীতাকুন্ড উপজেলা জামায়াত আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, আকবরশাহ থানা আমির অধ্যাপক আব্দুল হান্নান চৌধুরী, সন্দ্বীপ উপজেলা আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফিরোজ, ফটিকছড়ি উপজেলা আমির নাজিক উদ্দিন ইমু, ভুজপুর উপজেলা আমির অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম, হাটহাজারী উপজেলার ভারপ্রাপ্ত আমির অধ্যাপক শোয়াইব চৌধুরী, রাউজান উপজেলা আমির শাহজাহান মঞ্জু, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আমির মাওলানা হাসান মুরাদ, মিরসরাই উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা নুরুল কবির, জোরারগঞ্জ থানা জামায়াতের আমির মাওলানা নুরুল হুদা হামিদী।



