বরিশাল বিভাগের একমাত্র বিজয়ী নারী প্রার্থী ঝালকাঠির ইলেন ভুট্টো

বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনে মোট ১২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এরমধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন মাত্র দু’জন। এই দু’জনের মধ্যে একমাত্র বিজয়ী ঝালকাঠির ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো।

Location :

Jhalokati
ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো
ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো |নয়া দিগন্ত

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

নির্বাচনে বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে বিএনপির মনোনীত ঝালকাঠির নলছিটির ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো বিজয়ী হয়েছেন। ভোটের ব্যবধানে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে আবারো সংসদে ফিরলেন।

‎জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার বেসরকারি ফলাফলে জানা যায়, বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে ইলেন ভুট্টো পেয়েছেন এক লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত ও ১১ দল সমর্থিত প্রার্থী এস এম নেয়ামুল করিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট। ফলে ৪৩ হাজার ২৯৫ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন ইলেন ভুট্টো।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনে মোট ১২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এরমধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন মাত্র দু’জন। এই দু’জনের মধ্যে একমাত্র বিজয়ী ঝালকাঠির ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো।

‎রাজনৈতিক পটভূমিতে ইলেন ভুট্টো নতুন নন। তার প্রয়াত স্বামী জুলফিকার আলী ভুট্টো জাতীয় পার্টি থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর ২০০০ সালের উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন তিনি। তবে ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা আমির হোসেন আমুকে পরাজিত করে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ইলেন ভুট্টো। দীর্ঘ বিরতির পর এবার আবারো সংসদে ফিরলেন তিনি।

‎দলীয় সূত্র বলছে, মনোনয়ন নিয়ে জেলা বিএনপির ভেতরে কিছুটা অসন্তোষ থাকলেও শেষ পর্যন্ত নেতাকর্মীদের একত্র করে মাঠে সক্রিয় প্রচারণা চালান ইলেন ভুট্টো।

‎জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোস্তফা কামাল মন্টু বলেন, ‘জনপ্রিয়তা ও জনমত জরিপের ভিত্তিতেই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে মনোনয়ন দেন। সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে তিনি ভোটারদের আস্থা অর্জন করেছেন।’

‎বিজয়ের পর ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো বলেন, ‘বিপুল ভোটে বিজয়ী করায় আমি ভোটারদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি সারা জীবন বিনয়ী থাকব। যারা আমাকে এমপি বানিয়েছেন, সেই ভোটারদের কাছে আমি ঋণী।’