জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, ‘সম্প্রতি জাতীয় নাগরিক পার্টির যে দুই/একজন পদত্যাগ করেছেন তাতে আমরা ব্যাথিত। আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে দলীয় ফোরামে অধিকাংশ সদস্যের সম্মতির ভিত্তিতেই জামায়াতের সাথে নির্বাচনী জোট করার সিদ্ধান্তের দিকে অগ্রসর হয়েছি।’
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধায় রংপুর ডিসি অফিসের প্রধান ফটকে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।
এর আগে তিনি ডিসি ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল আহসানের কাছে রংপুর-৪ আসনে এনসিপির পক্ষ থেকে লড়তে মনোনয়ন পত্র জমা দেন। এর আগে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে কার্যালয়ে আসেন। পরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন এনসিপির এই নেতা।
এসময় আখতার বলেন, ‘জামায়াতের সাথে জোটে যাওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতি দলীয় যাদের ভিন্নমত রয়েছে। তাদের সেই মতকে আমরা অব্যশ্যই শ্রদ্ধা করি। আমরা যেমন সংখ্যাগরিষ্ঠর মতামতকে শ্রদ্ধা করি। ঠিক তেমনি নোট অব ডিসেন্টের জায়গা থেকে যারা ভিন্নমত পোষণ করেন তাদেরকে ও আমরা শ্রদ্ধা করি। যারা পদত্যাগ করেছেন তাদের সাথে আমরা কথা বলবো। এরপর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হবে। তবে তারা আমাদের এনসিপির অন্যতম সারথি।’
তিনি আরো বলেন, ‘সারাদেশে বিভিন্ন সময়ে মারামারি হানাহানির ঘটনাগুলো ঘটেছে। বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটেছে। এসব ঘটনায় এখনও কাউকে বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। আমরা সম্প্রতি দেখেছি শহীদ ওসমান হাদি ভাইকে খুন করে খুনিরা পালিয়ে যেতে সমর্থ হয়েছে। তারা দেশের ভেতরে বা ভারতে লুকিয়ে আছে। তাদেরকে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছে না। যা জনমনে একধরণের আশঙ্কার জায়গা তৈরি করেছে।‘
আখতার বলেন, ‘আমরা জনগনের নিরাপত্তা, জনগণের ভোটের অধিকার এবং শান্তিপূর্নভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য এই অন্তবর্তী সরকার ঘোষিত নিবাচন কমিশন দায়িত্বে রয়েছেন। তারা তাদের সর্বোচ্চ সামর্থ ব্যবহার করে একটা শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সুষ্ঠু এবং জনগণের অংশগ্রহণমূলক ফ্যাসিবাদমুক্ত একটা নির্বাচন তারা উপহার দিবেন। সেটাই নির্বাচন কমিশন ও অন্তবর্তী সরকারের কাছ থেকে আমাদের প্রত্যাশা।’
পরে তিনি নির্বাচনী এলাকা কাউনিয়া-পীরগাছায় গণসংযোগ করেন।



