ধবলধোলাই এড়ানোর লক্ষ্যে রাতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে গড়াবে দু’দলের লড়াই। খেলা শুরু রাত ৯টায়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ধবলধোলাইয়ের শঙ্কা নিয়ে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ
ধবলধোলাইয়ের শঙ্কা নিয়ে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ |সংগৃহীত

প্রথম দুই ম্যাচ হেরে খাদের কিনারে বাংলাদেশ, খুঁইয়েছে সিরিজও। আছে ধবলধোলাই হওয়ার শঙ্কাও। সেই শঙ্কা মাথায় নিয়ে মান বাঁচানোর লড়াইয়ে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ।

তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে আজ (রোববার) স্বাগতিক পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে গড়াবে দু’দলের লড়াই। খেলা শুরু রাত ৯টায়।

সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে স্বাগতিক পাকিস্তানের কাছে পাত্তাই পায়নি বাংলাদেশ। হেরেছে বড় ব্যবধানে। অবশ্য হারের চেয়েও বেশি বাজে হারের ধরন, তিন বিভাগের কোনোটিতেই ভালো করতে পারেনি লিটন বাহিনী।

দলের এখন যে অবস্থা, তাতে বলা যায় ‘সর্বাঙ্গে ব্যথা।’ অধিনায়ক লিটন দাসও যা স্বীকার করে নিয়েছেন। স্পষ্টই বলেছেন, ব্যাটার, বোলার বা ফিল্ডার কেউ পারছেন না নিজ দায়িত্ব পালন করতে।

ব্যাটিং স্বর্গে যেখানে স্বাগতিক ব্যাটাররা স্বাবলীল ব্যাটিং করছে, সেখানেই ব্যাট হাতে উইকেটে টিকে থাকার সংগ্রাম করতে দেখা গিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।

আবার বল হাতেও ছিল ছন্নছাড়া। দুই-একটা ওভার ছাড়া সমীহ আদায় করে নিতে পারেনি ব্যাটারদের। আবার কখনো কখনো সুযোগ তৈরি করলেও ফিল্ডারদের ব্যর্থতায় উদযাপন করা হয়নি।

সব মিলিয়ে মোটেও ভালো নেই দলের অবস্থা। আরব আমিরাতের কাছে সিরিজ হারের ধাক্কা পাকিস্তানের সাথেও কাটিয়ে উঠা যায়নি এখনো। টানা চার হারে দলের অবস্থা টালমাটাল।

প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের করা ২০১ রানের বিপরীতে ১৯.২ ওভারে ১৬৪ রান করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও সমান পুঁজি পায় পাকিস্তান। এবার ১৯ ওভারে মাত্র ১৪৪ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা।

এদিকে সিরিজের শুরু থেকে একের পর এক চোটের থাবা পড়েছে বাংলাদেশ দলে। চোটের কারণে পাকিস্তানের বিমান ধরতে পারেননি তাসকিন আহমেদ। আর নিরাপত্তা শঙ্কায় পাকিস্তানে আসেননি নাহিদ রানা।

আরব আমিরাত সিরিজের মধ্য থেকে ছিটকে যান সৌম্য সরকার। এরপর আইপিএল খেলতে গিয়ে চোটে পড়েন মোস্তাফিজুর রহমান। এবার চোট পেয়েছেন শরিফুল ইসলাম। শেষ ম্যাচে তাকে একাদশে পাবে না টাইগাররা।

এমতাবস্থায় শেষ ম্যাচে ব্যাকফুটে থেকেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ। দেখা যাক তবুও ঘুরে দাঁড়ানোর মতো কিছু করতে পারে কিনা লিটনরা। ধবলধোলাই এড়াতে যার বিকল্প নেই।