নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি পাগলাটারী গ্রামের আশেক আলী ও সুমি বেগম দম্পতির মেয়ে আয়শা সিদ্দিকা (৮) হাইড্রোসেফালাস রোগ নিয়ে দুর্বিষহ জীবন পার করছে।
জন্মের পর থেকে অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে তার মাথা। পরিবারটি দরিদ্রসীমার নিচে বসবাস করায় অর্থের অভাবে বন্ধ রয়েছে তার চিকিৎসা।
প্রায় ৪ বছর আগে নয়া দিগন্তে রিপোর্ট প্রকাশের পর দু’জন প্রবাসী ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে তাদের সহযোগিতা করেন। কিন্তু তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ১০ লাখ টাকা।
পরিবারটির যেটুকু সম্বল ছিল তা আগেই শেষ হয়ে গেছে। টাকার অভাবে আয়শা সিদ্দিকার চিকিৎসা এখন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। ফলে অস্বাভাবিক বড় মাথা ও রোগের যন্ত্রণা নিয়ে দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছে শিশুটি।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) ওই দম্পতির বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, আয়শা বিছানায় শুয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে।
তার মা সুমি বেগম বলেন, ‘আয়শার মাথার ওজন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। প্রসাব, পায়খানা করাতে হলে দু’জন তাকে ধরতে হয়। নাকে মাংস বেড়ে যাওয়ায় শ্বাস নিতে পারছে না। কিছুদিন আগে ডাক্তারের পরামর্শে তাকে ঢাকায় নিয়ে গেছিলাম। ডাক্তার অপারেশন করতে সাত লাখ টাকা ও অন্যান্য খরচসহ ১০ লাখ টাকা ব্যায় হবে বলে জানিয়েছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘এতো টাকা আমাদের সামর্থের মধ্যে না থাকায় তাকে নিয়ে বাড়ি চলে এসেছি। দেশের কোনো বিত্তবান কিংবা প্রবাসী হৃদয়বান ব্যক্তি যদি সাহায্যের হাত বাড়ায় তাহলে আমার এই অবুজ শিশুটির চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারতাম।’
সাহায্যের জন্য যোগাযোগ করুন,
শিশুটির মা সুমি বেগম
মোবাইল নম্বর- 01755-259236



