টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর অনুসারীদের হামলায় বিএনপির পাঁচ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে চারজনকে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) এ ঘটনায় কালিহাতী থানায় মামলা হয়েছে। এর আগে, শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নারান্দিয়া ইউনিয়নের লুহুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— ধানের শীষের প্রার্থী লুৎফর রহমান মতিনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য, নারান্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন আল আজাদ, পালিমা গ্রামের আব্দুল কদ্দুস, কাজিম উদ্দিন, কামাল হোসেন ও পোষণা গ্রামের নজরুল ইসলাম।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সন্ধ্যার পর বিএনপির ১০-১২ জন নেতাকর্মী লুহুরিয়া বাজারে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণায় যান। তখন স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর ২০-২৫ জন নেতাকর্মী ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে বিএনপির পাঁচজন নেতাকর্মী আহত হন।
শনিবার রাতেই তাদের টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে নজরুল ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয় এবং বাকি চারজনকে সেখানে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসার মো: মেহেদী নয়া দিগন্তকে বলেন, আব্দুল কদ্দুস সবচেয়ে বেশি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। তার মাথায় ১২টি সেলাই দেয়া হয়েছে। তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
বিএনপি নেতা আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর ও লতিফ সিদ্দিকীর অনুসারী বাবুল সিদ্দিকী ও এছহাক সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
রোববার বিকেলে কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: তৌফিক নয়া দিগন্তকে বলেন, এ ঘটনায় আলাউদ্দিন আল আজাদ আজ থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।



