‘আমরা চাই বর্ষার পরে শুকনো মৌসুমে যাতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা কার্যকরভাবে শুরু করা যায়’ বলে মন্তব্য করেছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
রোববার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন এবং আইসোলেশন ওয়ার্ডের উদ্বোধন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
এ সময় সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-আরপিডিএ চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার আশিকুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় মন্ত্রী দুলু বলেন, শুকনো মৌসুমে তিস্তায় তো পানির খুবই সংকট। আমরা যদি উজান থেকে পানি না পাই, পাশের দেশ যদি আমাদেরকে পানি না দেয়, তাহলে আমাদেরকে তো পানি ধরে রাখতে হবে। সেজন্য সারফেস ওয়াটার যেটা বর্ষাকালে আসবে, সেই পানিটাকে ধরে রাখব।
এ সময় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা বাড়াতে জনবল নিয়োগ, বিভিন্ন বিল্ডিং দ্রুত নির্মাণ এবং রোগীবান্ধব সেবা নিশ্চিতে নানা উদ্যোগের কথা জানান।
মন্ত্রী দুলু বলেন, ‘এখানে অবকাঠামোর অনেক সমস্যা রয়েছে। যেহেতু পুরানো হাসপাতালের জায়গায় সংকুলান হয় না, নতুন একটি ভবনের ধীরগতিতে কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। সেখানে আমি চেষ্টা করতেছি যত তাড়াতাড়ি এই বিল্ডিংটির কাজ শেষ করে দিয়ে, এই যে রোগীদের যে সঙ্কট, রোগীদের যে চাহিদা, সেটা যাতে আমরা সমাধান করতে পারি।’
মন্ত্রী বলেন, ‘এই হাসপাতালের আউটসোর্সিংয়ে যাদেরকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, সেটাও খুবই অপ্রতুল ছিল। আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়ে মিটিং করেছি। উনাকে আমি আহ্বান করেছি যে আপনি অল্প সময়ের মধ্যে রংপুর হাসপাতাল ভিজিট করে আসেন এবং জনবল কাঠামো ব্যবস্থা করেন। আউটসোর্সিংয়ে দীর্ঘদিন রেগুলার নিয়োগ হবে না, আউটসোর্সিংয়ে বরাদ্দটা আমাদের রংপুর মেডিক্যালে বাড়িয়ে দেন।’
দুলু বলেন, ‘আমি এটাকে সামগ্রিকভাবে আমার নজরদারিতে রাখছি। প্রতি মুহূর্তে আমি ডাইরেক্টরের সাথে কথা বলি। এখানকার পিডাব্লিউডি ইঞ্জিনিয়ারের সাথে কথা বলি, যাতে করে এটার পরিচ্ছন্নতা, রোগী সেবার মান বাড়ানো যায়।’
মন্ত্রী দুলু বলেন, ‘যার যার মতামত সে তো দিতেই পারে। আমার মতামত আমি আমার মত করে দেব। আর ইতিমধ্যে আমি যে মিটিং করে গেছি, এখানে লাইটিংয়ের জন্য, সিসি ক্যামেরা, এটি মনে হয় কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। আপনারা একটু অপেক্ষা করেন, আমি অনেক চেষ্টা করব যাতে করে হাসপাতালটা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।’



