যশোর জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনসারুল হক রানাকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় দফতর। মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানের অভিযোগে সোমবার (৪ মে) তাকে এই কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেয়া হয়।
একইসাথে যশোরের শার্শা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম শহীদ ও মাগুরা জেলা সভাপতি ওয়াসিকুর রহমান কল্লোলকেও একই ধরনের নোটিশ দিয়েছে যুবদলের কেন্দ্রীয় দফতর।
কারণ দর্শানো নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
যুবদল সূত্রে জানা গেছে, সংগঠনের দায়িত্বশীল পদে থেকে মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানের মতো গুরুতর অপরাধে সম্পৃক্ততার সংবাদে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অত্যন্ত বিব্রত ও ক্ষুব্ধ। এ ধরনের নেতিবাচক সংবাদ সংগঠনের আদর্শিক অবস্থান ও ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষুণ্ন করেছে বলে কারণ দর্শানো নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
কেন তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সামনে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে ব্যাখ্যা দিতে হবে।
সূত্র জানিয়েছে, শৃঙ্খলার প্রশ্নে যুবদল জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। এ কারণে তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বহিষ্কারের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে।
এ বিষয়ে যশোর জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনসারুল হক রানা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি কেমন তা যশোরের মানুষ জানে। আমাকে শোকজ দেয়া হয়েছে। আমি নেতৃবৃন্দের সামনে গিয়ে জবাব দেবো। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ যদি প্রমাণিত হয় তাহলে সংগঠন আমাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিলেও আমার কোনো আপত্তি থাকবে না।’



