বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে দুই দিন পর আমদানি-রফতানি স্বাভাবিক

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ৪৬ জনকে আসামি করে তিনটি মামলা করে। এরপরই গেটপাস ইস্যু ও দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়, যা নিয়ে সিঅ্যান্ডএফ কর্মীদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।

রাশেদুর রহমান রাশু, বেনাপোল (যশোর)

Location :

Jashore
বেনাপোল স্থলবন্দর
বেনাপোল স্থলবন্দর |ফাইল ছবি

গেটপাস (কারপাস) ইস্যু নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় দুই দিন বন্ধ থাকার পর বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য আবার স্বাভাবিক হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন গেটপাস ইস্যু শুরু করলে উভয়দেশের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল পুনরায় চালু হয়।

এর আগে কাস্টমসের নতুন নির্দেশনা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন গেটপাস ইস্যু বন্ধ রাখে। এতে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে শত শত পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়ে, যার একটি বড় অংশে দেশের শতভাগ রফতানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পের কাঁচামাল ছিল।

কাস্টমস সূত্র জানা গেছে, গত ছয় মাসে অন্তত ১৩০টি অনিয়মের মাধ্যমে সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ৪৬ জনকে আসামি করে তিনটি মামলা করে। এরপরই গেটপাস ইস্যু ও দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়, যা নিয়ে সিঅ্যান্ডএফ কর্মীদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি বলেন, ‘কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার পর ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়েছে। রোববার বিকেল থেকে তারা আবার গেটপাস (কারপাস) ইস্যু শুরু করলে কিছু গাড়ি বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। আজ সোমবার সকাল থেকে পুরোদমে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে।’

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করবে।

কাস্টমস কমিশনার মো: ফাইজুর রহমান বলেন, ‘আলোচনা শেষে সৃষ্ট জটিলতার অবসান হয়েছে। ফলে রোববার বিকেল থেকে গেটপাস ইস্যু ও আমদানি-রফতানি কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে।’