গাংনী (মেহেরপুর) সংবাদদাতা
মেহেরপুরের গাংনীতে ঘোষণা দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কুপিয়ে জখম করলেন বিএনপির নেতা। এঘটনায় সৃষ্ট সংঘর্ষে উভয়পক্ষের নারীসহ ১৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশংকাজনক।
সোমবার (২৩ মার্চ) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে, সাহারবাটি গ্রামের কড়ইতলা পাড়া এলাকার ইমন আলীর স্ত্রী রিয়া খাতুন (৪০), তরিকুল ইসলামের ছেলে শরিফুল ইসলাম(৪৩), চাঁদ আলী মোল্লার ছেলে রফিকুল ইসলাম(৬০), মুন্তাজ আলী(৫০) নেঙ্গার আলীর ছেলে হামিদুল ইসলাম (৫০), মাঠপাড়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মিথুন হোসেন (৩০), সামসদ্দীনের ছেলে আইনাল হক(৫০), আনসারুল ইসলাম (৬৫) ও তার স্ত্রী শাহানার বেগম (৬০)। অপরদিকে হামলাকারি বিএনপি নেতা দবির হোসেনের ভাই আব্দুল খালেক ও আব্দুল মালেক আহত হয়েছেন।
বিএনপি নেতা দবির হোসেন বলেন, বিগত ১৭ বছর যাবৎ স্থানীয় ইউপি সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা আব্বাছ আলী আমাদের পরিবারের ওপর নির্যাতন জুলুম চালিয়ে আসছিলেন। তারা আমাদের গোয়ালের গরু পর্যন্ত ধরে নিয়ে গেছেন। মাঠের ফসল তুলতে দেয়নি। আমরা সেই মারের বদলে মাইর নেবো।
এদিকে ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্বাছ আলী জানান, ৫ তারিখের পর থেকেই দবির উদ্দীন আমাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। আমরা বেশ কয়েকবার তাদের চাঁদা দিয়েছি। আজকে আবারো চাঁদা চেয়ে না পেয়ে আমার বাবা এবং মায়ের ওপর হামলা চালিয়েছে। বর্তমানে আমার বাবা কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস বলেন, সকালের মারামারির পর সেখানে পুলিশ গেছে। আবারো সন্ধ্যায় মারামারি হয়েছে এমন খবর পাওয়ার পরপরই সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে।



