নওগাঁর আত্রাইয়ে দশম শ্রেণির এক স্কুলশিক্ষার্থীকে (১৮) ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলার প্রধান আসামি জাহিদ মোল্লাকে (২০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ধর্ষণের শিকার ওই স্কুলছাত্রীকে রক্তাক্ত ও অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বান্ধবীসহ তিনজনকে আসামি করে শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেফতার জাহিদ মোল্লা উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের গোয়ালবাড়ি গ্রামের জামাল মোল্লার ছেলে। তাকে রোববার (২৬ জুলাই) আদালতে পাঠানো হয়।
দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ জাহিদ মোল্লাসহ কয়েকজন ভুক্তভোগী স্কুলশিক্ষার্থীর এক বান্ধবীর বাড়িতে যায়। এরপর ওই বান্ধবীর মাধ্যমে ভুক্তভোগী স্কুলশিক্ষার্থীকে বান্ধবীর বাড়িতে ডেকে নেয়া হয়। এরপর ওই বান্ধবীর শয়নকক্ষে তাকে ঠেলে দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়।
সেখানে প্রধান আসামি জাহিদ মোল্লা ওই স্কুলশিক্ষার্থীকে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে। এ সময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তারা পালিয়ে যায়।
ঘটনাটি ভুক্তভোগীর পরিবারকে জানালে পরিবারের লোকজন এসে তাকে রক্তাক্ত ও অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্কুলশিক্ষার্থীর বড় ভাই শনিবার রাতে বান্ধবীসহ তিনজনকে আসামি করে আত্রাই থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি জাহিদ মোল্লাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। রাতেই প্রধান আসামি জাহিদকে গ্রেফতার করে রোববার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান, ধর্ষণের শিকার স্কুলশিক্ষার্থী বর্তমানে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।



