ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে উঠল ২ বস্তা সরকারি ওষুধ

‘আমি একটি ট্রেনিংয়ে আছি। যতদূর শুনেছি বস্তাভর্তি ওষুধগুলো ২০২৩ সালের। ওই সময় কেউ হয়তো নদীতে ফেলে থাকতে পারে। ওষুধের প্যাকেট পচনশীল না হওয়ায় এবং বস্তাভর্তি থাকায় নদীর নিচে অক্ষত অবস্থায় রয়ে গেছে।’

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা

Location :

Gaffargaon
জেলের জালে ওঠা দুই বস্তা সরকারি ওষুধ উদ্ধারে ঘটনাস্থলে পুলিশ
জেলের জালে ওঠা দুই বস্তা সরকারি ওষুধ উদ্ধারে ঘটনাস্থলে পুলিশ |নয়া দিগন্ত

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরার সময় জেলের জালে উঠে এলো দুই বস্তা সরকারি ওষুধ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওষুধগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

বুধবার (১১ মার্চ) উপজেলার তেঁতুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে ওই সব সরকারি ওষুধ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে স্থানীয় জেলেরা ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরার জন্য জাল ফেলেন। কিন্তু জাল টেনে তোলার সময় মুখ বাঁধা অবস্থায় দু’টি বড় পাটের বস্তা দেখতে পান। এ সময় স্থানীয় লোকজন বস্তায় লাশ থাকতে পারে এই ভয়ে গফরগাঁও থানা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে বস্তার মুখ খুলে ভেতরে সরকারি হাসপাতালের বিভিন্ন প্রকারের ওষুধ পাওয়া যায়। পরে পুলিশ ওষুধভর্তি বস্তা দু’টি থানায় নিয়ে যায়। তবে, এ নিয়ে জনমনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমি একটি ট্রেনিংয়ে আছি। যতদূর শুনেছি বস্তাভর্তি ওষুধগুলো ২০২৩ সালের। ওই সময় কেউ হয়তো নদীতে ফেলে থাকতে পারে। ওষুধের প্যাকেট পচনশীল না হওয়ায় এবং বস্তাভর্তি থাকায় নদীর নিচে অক্ষত অবস্থায় রয়ে গেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘উদ্ধারকৃত ওষুধগুলোর বিষয়ে থানা পুলিশ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। তদন্তের জন্য যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’

গফরগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ স ম আতিকুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’