চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক কর্মকর্তা ড. আব্দুল্লাহ আল ইফরানের লোহাগাড়ায় বদলি ঠেকাতে মানববন্ধন করেছে লোহাগাড়ার সচেতন নাগরিক মহল।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল ) বিকেলে উপজেলার বটতলি মটর স্টেশন এলাকার ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে ‘লোহাগাড়ার সচেতন নাগরিকবৃন্দ’ ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত এবং তা প্রমাণিত এক কর্মকর্তার লোহাগাড়ায় পদায়ন আমরা কোনোভাবে মেনে নেব না। চন্দনাইশ উপজেলার সাবেক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: আবদুল্লাহ আল ইফরানের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে।
তিনি ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে হাসপাতালের জন্য বরাদ্দকৃত যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ না করেই বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেন।
বিষয়টি স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তী অডিট কার্যক্রমেও আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে। এমন গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত একজন কর্মকর্তাকে তদবির ও অর্থের বিনিময়ে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পদায়ন করা হয়েছে।
বক্তারা আরো বলেন, পরবর্তীতে আমরা সিভিল সার্জন বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করব। তাও আমাদের দাবি না মানলে আরো কঠোর কর্মসূচি দিব। এ সময় প্রয়োজনে ‘লং মার্চ টু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’ কর্মসূচি দেয়ার কথাও বলেন বক্তারা।
জানা গেছে, চন্দনাইশে দায়িত্ব পালনকালে কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহায়তায় তিনি বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও অভিযোগ এখনো গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তিনি ছাত্র জীবনে বর্তমানে নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন এবং গত সরকারের আমলে সুবিধা ভোগী একজন কর্মকর্তা।
এছাড়াও গত ৫ আগস্ট এর পরে তাকে চন্দনাইশ হতে দিনাজপুরে শাস্তিমূলক বদলী করে দেওয়া হয়েছিল। এছাড়াও তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ স্বাচিপের আজীবন সদস্য।



