আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮ নম্বর খাগড়াছড়ি আসনে ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো: আনোয়ার সাদাত।
তিনি জানান, ‘বিএনপি ও জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের পক্ষ থেকে নয়জনসহ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ছয়জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন।‘
রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে মনোনয়ন দাখিলকারীদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনীত প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় সহ-কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁঞা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো: এয়াকুব আলী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো: কাউছার, গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত দীনময় রোয়াজা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত মাও: আনোয়ার হোসেন মিয়াজী, জাতীয় পার্টির মিথিলা রোয়াজা, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো: মোস্তফা, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো: নুর ইসলাম ও বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির উশ্যেপ্রু মারমা।
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সমীরন দেওয়ান, দুর্নীতির অভিযোগে বহিষ্কৃত খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা, মহালছড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোনা রতন চাকমা, দীঘিনালা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ধর্ম জ্যোতি চাকমাসহ লাব্রিচাই মারমা ও সন্তোষিত চাকমা।
এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষ থেকে দলটির দক্ষিণাঞ্চল সংগঠক মনজিলা সুলতানা মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও তিনি জমা দেননি। এ বিষয়ে জানতে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এদিকে গত রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি জানান, ‘এনসিপি প্রাথমিকভাবে যেই ১২৫ আসনে মনোনয়ন দিয়েছিল তার মধ্যে খাগড়াছড়ি ২৯৮ নম্বর আসনে শাপলা কলি মার্কা নিয়ে নির্বাচন করতে আমাকে মনোনীত করেছিল। ২৪ তারিখে আমার পক্ষে আমার দলের খাগড়াছড়ি জেলার আহ্বায়ক মনোনয়ন উত্তোলন করেছে। জমা দেয়ার আগেই দলের আহ্বায়ক জনাব নাহিদ ইসলামকে আমার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছি। আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি না। তবে আমি বিশ্বাস করি তরুণরা সংসদে যাবে, আজ নয়তো কাল।’



