নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ভিসি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ভিসির সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও অবকাঠামোগত সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের পরামর্শ গ্রহণ ও মতবিনিময়ের জন্য এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময়কালে ভিসি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, ‘নোবিপ্রবি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাডেমিক ও গবেষণা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিং সংস্থা টাইমস হায়ার এডুকেশনের সর্বশেষ মূল্যায়নে গবেষণা সূচকে নোবিপ্রবি বিশ্বে ৭২২তম স্থান ও বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১২তম অবস্থান লাভ করেছে। যা আমাদের জন্য গৌরবের।’
তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে সম্প্রতি ৩৩৪ কোটি টাকার একটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে, যার মাধ্যমে অ্যাকাডেমিক ভবন ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণের কার্যক্রম এগিয়ে নেয়া হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার নির্ধারিত নীতিমালা ও প্রক্রিয়া কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। এখানে যারা গবেষণায় দক্ষ তাদের ও নারীদেরকে উৎসাহিত করতে বেস্ট ফিমেল রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। এছাড়াও গত দেড় বছরে বিশ্বের খ্যাতনামা ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে গবেষণা ও একাডেমিক ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের সুশিক্ষা নিশ্চিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কুল অ্যান্ড কলেজ বিনির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দেশের শীর্ষ স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করে হিট প্রজেক্টে নোবিপ্রবির শিক্ষকবৃন্দ সাতটি প্রকল্প নিয়ে এসেছেন, যা অত্যন্ত চমকপ্রদ। এছাড়াও ৩০টি ক্লাসরুম ডিজিটালাইজড করা হয়েছে। এ প্রথম অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’
নোবিপ্রবি ভিসি আরো বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতে আমরা চার ধাপে যাচাই প্রক্রিয়া অনুসরণ করছি। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিক্ষক নিয়োগে একাডেমিক যোগ্যতা যাচাই, লিখিত পরীক্ষা, উপস্থাপনা ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগেও লিখিত, মৌখিক ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ব্যাবহারিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পাদিত হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ায় বিধি-বিধান সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। এ কারণে এখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মেধাবী স্নাতকরা নিয়োগ পেয়েছেন।’



