সুন্দরবনের জিউধরা, চিলা, জয়মুনি, কপিলমুনি, কটকাসহ সুন্দরবনের প্রবেশপথে ফরেস্টগার্ড ব্যাপক মাইকিং করে সতর্কতা জারি করেছে। গরমের এই সময়ে প্রতি বছর সুন্দরবনে আগুন লাগার আশঙ্কায় এবারই প্রথম এমন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পুর্ব সুন্দরবন বিভাগীয় কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী।
জেলে, মৌয়াল এ সময়ে সুন্দরবনে মাছ ধরা, মধু সংগ্রহ ও গোলপাতা কাটতে সেখানে জড়ো হন। সুন্দরবনে এই পর্যন্ত ৩৭ বার আগুন লেগে অন্তত ২০ কিলোমিটার জুড়ে বনের বিরল প্রজাতির গাছ প্রাণী ধংস ও উজাড় হয়েছে বলে জানান পুর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী।
সুন্দরবনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বাগেরহাট জেলার উপকুলীয় অঞ্চলের সাধারণ মানুষ।
উল্লেখ্য গত কয়েকদিন ধরে সুন্দরবনের বেশ কয়েকটি প্রবেশ মুখে বনবিভাগের নিরাপত্তা বাহিনী হ্যান্ড মাইকিংয়ের মাধ্যমে জনগণকে সতর্ক করা হচ্ছে।
সূত্র : বাসস



