যারা মাঠে আন্দোলন করেনি, তাদের চব্বিশের সংগ্রাম বুঝা মুশকিল : মীর হেলাল

‘আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকি, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো অগণতান্ত্রিক শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে। আহতদের (চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে) পুনর্বাসনে সরকার দায়বদ্ধ। তাদের যেন পরিবারে বোঝা হয়ে না থাকতে হয়, সেই ব্যবস্থা করা হবে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত বৈশাখী আলোচনা সভায়  প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত বৈশাখী আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন |সংগৃহীত

বাংলাদেশ সরকারের ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, ‘আমরা কিভাবে এই আন্দোলনটা (চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান) করেছি, যারা মাঠ পর্যায়ে আন্দোলন করেনি, তাদের জন্য এই সংগ্রাম বুঝাটা মুশকিল। কারণ, প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে দেড় দুই মাস আমার বয়সী একটা লোক আন্দোলন-সংগ্রাম করা খুব কঠিন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত বৈশাখী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, ‘আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকি, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো অগণতান্ত্রিক শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে। আহতদের (চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে) পুনর্বাসনে সরকার দায়বদ্ধ। তাদের যেন পরিবারে বোঝা হয়ে না থাকতে হয়, সেই ব্যবস্থা করা হবে।’

‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পর থেকে এখানে আসা পর্যন্ত আমি যে প্রাণচাঞ্চল্য, উৎসাহ-উদ্দীপনা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মনোভাব দেখেছি, তা আমাকে গভীরভাবে আশাবাদী করেছে। এতে আমার মনে হয়েছে, আমাদের দৃশ্যমান ও অদৃশ্য সব কষ্ট-ত্যাগ আজ সার্থক হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ,’ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।

মীর হেলাল বলেন, এই দেশ কারো একার নয়। এটি ১৮ কোটি মানুষের দেশ। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের যে ধারণা দিয়েছিলেন, তার উদ্দেশ্য ছিল ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে সবাইকে একটি অভিন্ন পরিচয়ের আওতায় আনা। পার্বত্য চট্টগ্রামে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে আমি জানি, সেখানে ১৩টি নৃগোষ্ঠীর মানুষসহ আমাদেরই একটি সমৃদ্ধ সামাজিক-সাংস্কৃতিক সম্মিলন গড়ে উঠেছে। বাসস