কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী থেকে বিভাগীয় শহর রংপুর পর্যন্ত সরাসরি বাস চালু রাখার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩০ মে) বিকেলে উপজেলার কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন হয়। ভূরুঙ্গামারীর সর্বস্তরের জনগণ এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।
মানববন্ধনে ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ভূরুঙ্গামারী থেকে রংপুর সরাসরি বাস যোগাযোগ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর চলতি বছরের ১ জানুয়ারি পুনরায় চালু হয়। একটি কুচক্রী মহলের ইন্ধনে আগামী ১ জুন থেকে রংপুর সরাসরি বাস যোগাযোগ বন্ধের পাঁয়তারা চলছে। কুড়িগ্রাম ও রংপুর বাস মালিক সমিতি বাস সার্ভিস বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণে এই বাস সার্ভিসের খুবই প্রয়োজন।’
উত্তর ধরলা মটর মালিক সমিতির সভাপতি স্বপন কুমার সাহা বলেন, ‘ভূরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী উপজেলার মানুষের ভোগান্তি কমাতে রংপুরের সাথে সরাসরি বাস যোগাযোগ চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়। সেখানে কুড়িগ্রাম মটর মালিক সমিতি আপত্তি জানায়। কুড়িগ্রাম মালিক সমিতির ৯টি ও ভূরুঙ্গামারীর ৬টিসহ ১৫টি বাস দৈনিক চলাচল করার শর্তে সরাসরি বাস যোগাযোগ শুরু হয়। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই আগামী ১ জুন থেকে সরাসরি বাস সার্ভিস বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কুড়িগ্রাম মটর মালিক সমিতি। অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছি।’
মানববন্ধনে বক্তারা হুঁশিয়ারি দেন, কুড়িগ্রাম ও রংপুর বাস মালিক সমিতি যদি ভূরুঙ্গামারীর সাথে সরাসরি রংপুরের বাস যোগাযোগ সচল রাখতে ব্যর্থ হয়, তবে সাধারণ মানুষ কুড়িগ্রাম মালিক সমিতির কোনো বাস ভূরুঙ্গামারীতে ঢুকতে দেবে না। যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি মেনে নেয়া না হয়, তাহলে উপজেলার সমস্ত মানুষকে সাথে নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে সোনাহাট কলেজের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক আনোয়ার হোসেন, প্রধান শিক্ষক (অব.) ফেরদৌস হোসেন, উত্তর ধরলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি বশির আহমেদ বাঁশি, মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজার রহমান বাবলা, শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি তাইফুর রহমান মানিক, সাবেক ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক উপজেলা সভাপতি রোকনুজ্জামান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।



